1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন

রসমালাইয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৮ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

কক্সবাজার সদর উপজেলায় গৃহবধূকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পলাতক স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে উঠে এসেছে ভয়াবহ পরিকল্পনার তথ্য—স্ত্রীকে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে পরে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত সাইফুল ইসলাম তারেক (২৬) মহেশখালী পৌরসভার দাসী মাঝিপাড়ার বাসিন্দা। নিহত শাহিদা আক্তার রিপা ওরফে মুন্নী (২৯) একই উপজেলার চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

গত ১১ এপ্রিল বিকেলে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের জানারঘোনা এলাকায় দুর্গন্ধের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে স্থানীয়রা একটি ময়লা-আবর্জনার ডোবায় বেডশিটে মোড়ানো এক নারীর মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যাকাণ্ডটি ঘটনার ৪ থেকে ৫ দিন আগে সংঘটিত হয়েছে। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল নিহতের মা বাদী হয়ে স্বামীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক ছিলেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং কক্সবাজারে নিয়ে আসা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেন, প্রায় ৬-৭ মাস আগে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া তৃতীয় বিয়ে করায় দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এর জের ধরে তিনি পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহের মাথা ও কবজি বিচ্ছিন্ন করেন এবং সেগুলো বাঁকখালী নদীর নতুন ব্রিজের নিচে ফেলে দেন।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও রসমালাইয়ের অবশিষ্টাংশ ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আসামিকে নিয়ে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িত অন্যদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT