দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ আদালতে স্বীকার করেছেন গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডস। দোষ স্বীকারের পর বিচারক তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স আগামী পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত করেছেন। গত মার্চে ফ্লোরিডায় নিজের বাড়ির কাছে একটি ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার পর মার্টিন কাউন্টির আদালতে উডস এ প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রাথমিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর (ডিইউআই) অভিযোগ এনেছিল পুলিশ। উডসের ল্যান্ড রোভার গাড়িটি একটি ট্রাককে সশব্দে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায়। এতে কারও প্রাণহানি না হলেও প্রায় পাঁচ হাজার ডলার সমপরিমাণ অর্থের ক্ষয়ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনার সময় উডস ফোন দেখা ও রেডিও টিউন করার কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে দাবি করেন। শেরিফের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি তখন অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন এবং তাঁর কাছে দুটি ব্যথানাশক ওষুধ পাওয়া যায়। পরে অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ এলেও প্রস্রাব পরীক্ষা দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
৫০ বছর বয়সী উডসের খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার নানা সময়ে চোট, পিঠ ও হাঁটুর একাধিক অস্ত্রোপচার এবং ব্যথানাশক ওষুধের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে বারবার হোঁচট খেয়েছে। চার চারবার মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় পড়ার রেকর্ড রয়েছে এ গলফ তারকার।
সর্বশেষ এ দুর্ঘটনার পর মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা নেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে একটি ইনপেশেন্ট চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হন তিনি। চিকিৎসাপ্রক্রিয়া শেষে গত ২৩ জুন পিজিএ ট্যুরের একটি বিশেষ সূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এলেও গণমাধ্যমের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি উডস। বর্তমানে তিনি পিজিএ ট্যুরের ‘ফিউচার কম্পিটিশন কমিটির’ চেয়ারম্যান পদে বহাল রয়েছেন।