1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোদি নেতানিয়াহুর ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা: বিজয়নগরে প্রাথমিকে অনিয়ম: সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক মারধর ও অবরুদ্ধ নলছিটিতে একই ভবনের দুই ফ্ল্যাটে চুরি: নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট জুলাই গণঅভ্যুত্থান সৃতি জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন আজ : উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী! সৌদির নাজরান বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন হামলা, উত্তেজনার পারদ চরমে! শাহজালালে পড়ে থাকা ১২টি উড়োজাহাজ ভাঙারি হিসেবে নিলামের উদ্যোগ বেবিচকের! কোন উপায়ে মোবাইলের পর্নোগ্রাফি বন্ধের কার্যকর উপায় হতে পারে? ফেনীতে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর করুণ মৃত্যু! গানার্সদের লোভনীয় প্রস্তাবের গুঞ্জনের মধ্যেই সোমবার রিয়ালে যোগ দিচ্ছেন ভিনিসিউস পাকিস্তানের থানার সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৪

বিজয়নগরে প্রাথমিকে অনিয়ম: সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক মারধর ও অবরুদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ Time View
"ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ও প্রাঙ্গণ।"

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, শিক্ষার্থীদের দিয়ে থালা-বাসন ধোয়া ও টয়লেট পরিষ্কার করানোর মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী এক শিক্ষকের হাতে মারধর, গালিগালাজ ও অবরুদ্ধের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে স্থানীয়দের আহ্বানে কয়েকজন সাংবাদিক বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, পাঠদান চলাকালেও শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে না গিয়ে অফিসকক্ষে মুঠোফোন ব্যবহার ও আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বাইরে খেলাধুলা করছিল।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষকরা নিয়মিত দেরিতে আসেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুল ছুটি দিয়ে দেন। মূল পড়াশোনার বদলে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার, থালা-বাসন ও হাঁড়ি-পাতিল ধোয়া এবং ঝাড়ু দেওয়ার কাজ করানো হয়। এর ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিজ শ্রেণির বই সাবলীলভাবে পড়তে পারে না এবং গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বল থেকে যাচ্ছে।

এসব অনিয়মের বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তদন্তের নির্দেশ দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অভিযুক্ত শিক্ষকরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শিক্ষক এস. এম. আল আমিন সাংবাদিকদের পথরোধ করে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গালাগাল করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই বেতনে কোনো হালার পুতও শিক্ষকতা করত না। ক্লাসের সময় মোবাইল চালালে তোমাদের কী সমস্যা?” একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রবেশে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে দাবি করে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরিপন্থী বক্তব্য দেন।

একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার এবং ফোনটি উদ্ধার করেন।

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা পুরো ঘটনাটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT