1. admin@banglarakash.com : admin :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘হাসপাতালটাই মনে হলো যেন ডাস্টবিন’: জেনারেল হাসপাতালের অবস্থা নিয়ে ক্ষুব্ধ এমপি নায়াব ইউসুফ! ট্রাম্পের ৪০ কোটি ডলারের ‘বলরুম প্রকল্প’ আটকে দিলেন মার্কিন আদালত! ক্যাশলেস বাংলাদেশ গঠনে ‘বাংলা কিউআর’ প্রসারে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক লিবিয়া থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে গ্রিসে পাড়ি, উদ্ধার ২০২ অভিবাসীর বেশির ভাগই বাংলাদেশি খাবার নিয়ে বিয়েবাড়িতে তুমুল সংঘর্ষ, কনে ও বরপক্ষের ১০ জন আহত সাভারে পুলিশের অভিযানের সময় ছাদ থেকে পড়ে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু সারাদেশে বোমা হামলার শঙ্কা, পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ চলতি মাসেই মিলতে পারে টানা চার দিনের ছুটির সুবর্ণ সুযোগ কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেফতার! মোদি নেতানিয়াহুর ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা:

‘হাসপাতালটাই মনে হলো যেন ডাস্টবিন’: জেনারেল হাসপাতালের অবস্থা নিয়ে ক্ষুব্ধ এমপি নায়াব ইউসুফ!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৩ Time View
"ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।"

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভায় হাসপাতালের নোংরা পরিবেশ ও সেবার নিম্নমান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কমিটির সভাপতি এবং ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পেছনে জমে থাকা বর্জ্যের স্তূপ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “হাসপাতালটাই মনে হলো যেন ডাস্টবিন হয়ে আছে।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এই প্রতিক্রিয়া জানান। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বেহাল দশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “হাসপাতালে এসে আমি নিজে গিয়ে লোক পাঠিয়ে দেখলাম, পেছনের অংশ বর্জ্যে ভরা, দেখে মনে হয় বর্জ্যের স্টোরেজ!” বিষয়টি সমাধান করতে ইতোমধ্যে পৌরসভা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ১০০ শয্যার ঐতিহ্যবাহী ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালটি জেলার অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হলেও দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। চিকিৎসক ও নার্স সংকট, নোংরা পরিবেশ, পর্যাপ্ত ওষুধের অভাব থেকে শুরু করে হাসপাতাল চত্বরে চুরি-ছিনতাইয়ের মতো নানা অভিযোগ রয়েছে রোগী ও স্থানীয়দের।

হাসপাতালের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে এমপি আরও বলেন, “১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ২০০ জনের বেশি, অনেকে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নার্স, চিকিৎসক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর তীব্র সংকট রয়েছে।”

তিনি জানান, হাসপাতালটির সার্বিক সেবার মান বাড়াতে এটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণ ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডিও (ডিমান্ড অর্ডার) চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বাজেট অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।

জবাবদিহিতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “দীঘদিন দেশে জবাবদিহির অভাব ছিল, কিন্তু আমরা এখন সেই ব্যবস্থার মধ্যে চলে এসেছি। এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে হাসপাতালের এই দুরবস্থা নিরসন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” ফরিদপুরবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি আরও যুক্ত করেন, “১৭ বছরের জঞ্জাল এক দিনে দূর করা সম্ভব নয়, তবে আগামী এক বছরের মধ্যে ফরিদপুরের মানুষ স্বাস্থ্যসেবায় একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবেন।”

উক্ত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফাতেমা ইসলামসহ জেলা ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT