দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
পাট উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জেলা ফরিদপুরে চলতি মৌসুমে সোনালি আঁশের আশাতীত ফলন এবং বাজারে ভালো দাম পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি পাওয়ায় পাটের ফলনের পাশাপাশি আঁশের মান ও রং চমৎকার হয়েছে। ফলে মাঠের পরিচর্যা থেকে শুরু করে হাটে কেনাবেচা—সবখানেই এখন কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মুখর ব্যস্ততা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় পাট চাষের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এবার সর্বমোট ৮৭ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা থেকে প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন পাট উৎপাদনের তথ্য নিশ্চিত করেছে কৃষি বিভাগ।
কৃষকদের স্বস্তি ও ব্যস্ততা: ফরিদপুরের বিভিন্ন অঞ্চলের পাটচাষিরা জানান, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের আশানুরূপ মান পাওয়া গেছে। সঠিক সময়ে জাগ দিতে পারায় আঁশের উজ্জ্বলতা ও গুণগত মান বেড়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজার দর ও চাহিদায়। হাটে ভালো দামে পাট বিক্রি করতে পেরে হাড়ভাঙা পরিশ্রমের সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছেন তারা।
ফরিদপুরের নদী-নালা ও গ্রামীণ হাটগুলোতে এখন পাট ধোয়া, শুকানো ও বিক্রির উৎসবে মেতেছেন চাষিরা। সোনালি আঁশের এই গৌরবময় প্রত্যাবর্তন এবং কৃষকের মুখে নতুন আশার আলো নিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ছবির গল্প।