1. admin@banglarakash.com : admin :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু সিসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল বগুড়ায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু, আহত মন্ত্রী ঢাকায় স্থানাস্তরিত খুলনা জেনারেল হাসপাতাল: লালফিতার ফাঁসে বন্দি চিকিৎসাসেবা, দ্রুত নতুন ভবনের কাজ শেষের দাবি ডি-ডে থেকে ‘হতাশার দিন’: একতরফা নীতিতে ফিকে হচ্ছে আমেরিকার বিশ্ব আধিপত্য বরাদ্দ করা কক্ষে উইপোকার উপদ্রব, মধ্যরাতে কুমিল্লা সার্কিট হাউস ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা এক বছরের অপেক্ষাতেও ঝুলছে পরীক্ষা, প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক পদে প্রার্থী ৭ লাখ শরতে পানি কমে রূপের ভিন্ন মাত্রা, ভোলাগঞ্জ সাদাপাথরে পর্যটকদের ঢল বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নেপালি ফুটবলারদের জয়জয়কার: নেপথ্যে কম খরচ ও খেলার আগ্রহ সবুজে মোড়ানো পৃথিবী: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন দেশে?

ডি-ডে থেকে ‘হতাশার দিন’: একতরফা নীতিতে ফিকে হচ্ছে আমেরিকার বিশ্ব আধিপত্য

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ Time View
হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্রে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার দৃশ্য।
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি ও মিত্রদের বাধ্য করার ট্রাম্পীয় নীতি আমেরিকান আধিপত্যকে পুনর্গঠন না করে উল্টো বৈশ্বিক প্রভাবকে সংকটের মুখে ফেলছে। (ছবি: সংগৃহীত)

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রক্ষাকারী দেশগুলোর ওপর নজিরবিহীন ও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের যে হুমকি দিয়েছেন, তাকে তিনি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ (Economic D-Day) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপে ফেলা। তবে বাস্তবে পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব-নিকাশের সম্পূর্ণ বিপরীতে মোড় নিচ্ছে। বিশ্বমঞ্চে মিত্রদের ওপর জোরজবরদস্তি ও একতরফা সিদ্ধান্তের কারণে এই নীতি আমেরিকাকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা পুনর্গঠন করার বদলে তার পতনকেই আরও তরান্বিত করছে।

মিত্রহীন একা আমেরিকা

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পরিচালিত এই ব্যয়বহুল ও ভুল ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ে মিত্র দেশগুলো কেন যোগ দিচ্ছে না, তার কারণ স্পষ্ট:

  • একতরফা সিদ্ধান্ত: এই সংকটময় পদক্ষেপগুলো নেওয়ার আগে মিত্র দেশগুলোর সাথে কোনো পূর্ব-আলোচনা বা কৌশলগত পরামর্শ করা হয়নি।
  • পরিকল্পনার অভাব: সামরিক বা কূটনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরান সরকারকে উৎখাত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়াশিংটনের হাতে বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা নেই।
  • মিত্রদের অবমূল্যায়ন: বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর ওপর লাগামহীন শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ, এমনকি গ্রিনল্যান্ড বা কানাডার মতো সার্বভৌম ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণের প্রচ্ছন্ন হুমকির মতো অপমানজনক আচরণ মিত্রদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে।

কূটনীতির দুই হাতিয়ারের চরম ব্যর্থতা

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্য দেশকে নিজের পক্ষে টানতে মূলত দুটি পথ ব্যবহৃত হয়—প্ররোচনা (বোঝানো) এবং হুমকি (ভয় দেখানো)। ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষেত্রে এখন দুটির একটিও কাজ করছে না। ‘কার্নেগী এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস’-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক ও সাবেক মার্কিন কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলারের মতে, ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘ডি-ডে’ আসলে মার্কিন প্রশাসনের জন্য এক চরম ‘হতাশার দিনে’ (Day of Desperation) পরিণত হয়েছে।

বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট

অন্য দেশকে নিজ নীতিতে আস্থাশীল করতে মূল ভিত্তি হলো অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ‘বিশ্বাসযোগ্যতা’। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিশ্বাস করতে হয় যে, মার্কিন সরকারের লক্ষ্য বাস্তবসম্মত এবং তা অর্জনের ক্ষমতা তাদের আছে। তবে অসংলগ্ন তথ্য উপস্থাপন ট্রাম্পের বিশ্বাসযোগ্যতাকে তলানিতে ঠেকিয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, তিনি গত বছরের জুনে দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে এবং মার্চেও দাবি করা হয় দেশটির সামরিক শক্তি ‘আক্ষরিক অর্থেই পঙ্গু’ করা হয়েছে। অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন হওয়ায় বিশ্বনেতারা ট্রাম্প প্রশাসনের হুংকারকে গুরুত্বহীন মনে করছেন। ফলস্বরূপ, বিশ্বব্যবস্থায় আমেরিকান একচ্ছত্র আধিপত্য এখন শেষ বিকেলের ছায়ার মতো ফিকে হয়ে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT