দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় সবজির বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উৎপাদিত ফসলের বাজারদর হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় ব্যাংক, এনজিও ও দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের অধিকাংশ চিংড়ি ঘেরের পাড়ে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, করলা ও শশাসহ নানা জাতের সবজি চাষ করা হয়েছে। স্থানীয়দের কঠোর পরিশ্রমে এবার ফলন ভালো হলেও বাজারে ধস নামায় খরচের টাকাই উঠছে না। যেমন—যে করলা আগে ২ হাজার থেকে ২৫ শত টাকা মণ বিক্রি হতো, তা এখন নেমে এসেছে অর্ধেকে। আর প্রতি কেজি শশা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ১০ টাকায়। চাষিদের অভিযোগ, এই দরপতনের পেছনে মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেটের কারসাজি থাকতে পারে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সিফাত-আল-মারুফ জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ১ হাজার ৮৩৬ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে এবং বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে একযোগে প্রচুর সবজি ওঠায় (অতি ফলন) সাময়িকভাবে দাম কিছুটা কমেছে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম তরফদার জানান, উপজেলা পর্যায়ে তাঁদের সরাসরি মনিটরিংয়ের সুযোগ সীমিত হলেও সিন্ডিকেটের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পেতে কৃষি বিপণন দপ্তরের নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।