1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩০টির বেশি ব্যাংকের কার্ড ও এটিএম সেবা বন্ধ: কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তলব বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ঘটাল আর্জেন্টিনা এলএনজি আমদানিতে আকাশচুম্বী ব্যয় ও ভর্তুকির চাপ সত্ত্বেও কাটছে না দেশজুড়ে গ্যাস-সংকট উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ: গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে আহত ১০ রূপগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর জলসিঁড়ির লেকের ঝোপ থেকে নারী বাবুর্চির লাশ উদ্ধার শীতের আগে তীব্র তেল সংকটের আশঙ্কা: ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারের সতর্কবার্তা ভিটোলের সিইওর ফরিদপুরে পরিত্যক্ত হাসপাতাল ও আবাসিক ভবনে এসআরবির অভিযান: অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেফতার ১ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে কৃষকের বাড়ি থেকে ৭ ৫ বস্তা অবৈধ সার জব্দ যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড দামে বেসামাল ডিজেল বাজার: কর ছাড়ের বড় ঘোষণা দিতে চলেছেন ট্রাম্প নিয়মিত মিশনে গিয়ে বড় দুর্ঘটনা: নাইজেরিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে সব আরোহী নিহত

এলএনজি আমদানিতে আকাশচুম্বী ব্যয় ও ভর্তুকির চাপ সত্ত্বেও কাটছে না দেশজুড়ে গ্যাস-সংকট

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯ Time View
ছবিঃ সংগৃহিত

দেশের জ্বালানি খাতে তীব্র সংকট দূর করতে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি (LNG) আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হলেও সংকট কাটছে না। উল্টো সরকারের ভর্তুকির ওপর চাপ হু হু করে বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চড়া মূল্যে গ্যাস কেনা সত্ত্বেও শিল্পকারখানা কিংবা সাধারণ মানুষের রান্নার চুলায় প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও সরবরাহের পরিমাণ অত্যন্ত কম, আবার কোথাও গ্যাসের চাপ এতই কম থাকে যে মিল-কারখানার উৎপাদন সচল রাখা কিংবা রান্নার কাজ সম্পন্ন করা চরম দুরূহ হয়ে পড়েছে। এর ফলে একদিকে সরকারকে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের পণ্যের উৎপাদন হ্রাসের মারাত্মক খেসারত দিতে হচ্ছে এবং বাসাবাড়ির গ্রাহকদের পোহাতে হচ্ছে অন্তহীন দুর্ভোগ।

এই চলমান সংকটের মধ্যেও খোলা বাজার বা স্পট মার্কেট থেকে চড়া দামে কেনাকাটা কমিয়ে অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী মূল্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি আমদানির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। এতে রাষ্ট্রীয় খরচ কিছু কমানোর সুযোগ তৈরি হলেও আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেনে নানা বাধা, ভাসমান টার্মিনালের কারিগরি জটিলতা এবং জরুরি মজুতের ঘাটতি দেশের সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর গ্যাস ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের অভ্যন্তরে গ্যাসের অনুসন্ধান ও স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি না করা কেবল আমদানির ওপর ভরসা করে এই সংকটের কোনো চিরস্থায়ী সমাধান মিলবে না।

মাত্র তিন মাসেই শেষ এক বছরের ভর্তুকি

পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এলএনজি খাতের জন্য মোট ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম তিন মাস—অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে মাত্র ৩০ কার্গো এলএনজি আমদানি করতেই প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকেই বিগত পুরো বছরের বাজেটের প্রায় ৭১ শতাংশ ভর্তুকির টাকা ফুরিয়ে গেছে। বর্তমান ব্যয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে মোট ভর্তুকির পরিমাণ ৪১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

অবশ্য বিশ্ববাজারের মূল্য ওঠানামা, আমদানির পরিমাণ এবং চুক্তিভিত্তিক সরবরাহের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে এই হিসাবের হেরফের হতে পারে। চলতি অর্থবছরের জন্য পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জ্বালানি বিভাগের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়ে মোট ২০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে অর্থ বিভাগ সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে সংশোধিত বাজেট ছাড়া এই মুহূর্তে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে বছরের বাকি সময়টায় আমদানির আর্থিক চাপ সামলানো অত্যন্ত দুরূহ হবে বলে মনে করছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা। এমনকি সরকারের শীর্ষ পর্যায়েও বিষয়টি নিয়ে দ্রুত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম সবসময়ই বেশ অস্থিতিশীল। বিশেষ করে বিশ্ব রাজনীতিতে যুদ্ধাবস্থা বা ভূ-রাজনৈতিক সংকট তৈরি হলে এই জ্বালানির দাম বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া শীতের মৌসুমে বিশ্বজুড়ে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেও দামের পারদ চড়ে যায়, যার প্রত্যক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতির ওপর। যেমন— গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১১০ কার্গো এলএনজি আমদানি করতে সরকারের ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৯ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। অথচ এর তুলনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাত্র ৪১ কার্গো আমদানির পেছনে খরচ হয়েছিল ১১ হাজার ৮১৩ কোটি টাকার মতো।

দাম বাড়লেও মিলছে না সরবরাহের নিশ্চিত নিশ্চয়তা

জরুরি ও তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটানোর জন্য স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হলেও এই বাজারের দাম খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুদ্ধ বা সাপ্লাই চেনে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই আমদানিকারক দেশকে চড়া মূল্য পরিশোধ করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি দানা বাঁধার আগে বাংলাদেশ এই স্পট বাজার থেকেই প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট বা এমএমবিটিইউ (MMBTU) এলএনজি প্রায় ১০ থেকে ১২ মার্কিন ডলারে সংগ্রহ করত। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই একই গ্যাস কিনতে গিয়ে দাম বেড়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

চলতি অক্টোবরের জন্য সংগৃহীত কয়েকটি স্পট কার্গোর প্রতি এমএমবিটিইউর দাম প্রায় ২৭ থেকে ২৯ ডলারে পড়েছে। অন্যদিকে, একই সময়ে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে আমদানিকৃত এলএনজির প্রতি এমএমবিটিইউর খরচ পড়েছে প্রায় ২৫.২৬ থেকে ২৫.৩৫ ডলার। সাধারণত স্পট মার্কেটের চেয়ে চুক্তিভিত্তিক ক্রয়ে খরচ কিছুটা কম হয়। তবে ক্রয়ের সময়সীমা, সরবরাহের নির্দিষ্ট শর্ত এবং মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি ভিন্ন হওয়ার কারণে সব কার্গো থেকে সমানভাবে সাশ্রয় পাওয়া সম্ভব হয় না। নির্ধারিত কম মূল্যের সরবরাহ কোনো কারণে ব্যাহত হলে বাধ্য হয়েই বিকল্প উৎস থেকে চড়া দামে গ্যাস কিনতে হয়। তদুপরি, কার্গো দেশে পৌঁছানোর পরও যদি টার্মিনালে কোনো কারিগরি ত্রুটি বা পরিবেশগত সমস্যা দেখা দেয়, তবে সেই জ্বালানি সময়মতো জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যায় না। এর ফলে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করেও শেষ পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

স্পট থেকে কেনাকাটা কমানোর উদ্যোগ

পেট্রোবাংলার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, আসন্ন ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানির পরিমাণ কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যেই বিশ্বজুড়ে অধিকতর বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য এলএনজি সরবরাহকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রধান কোনো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যদি তাদের প্রতিশ্রুত কার্গো যথাসময়ে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, তবে সরকারকে আবারও বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল স্পট মার্কেটের শরণাপন্ন হতে হবে।

পাশাপাশি, স্পট বাজারের ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন নতুন এলএনজি সরবরাহকারী তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়াও চালু রেখেছে পেট্রোবাংলা। গত ২৯ আগস্ট সম্ভাব্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে যথাক্রমে ২২ সেপ্টেম্বর, ৬ অক্টোবর এবং সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। নতুন এই তালিকাভুক্তিতে অংশ নিতে হলে আবেদনকারী সংস্থাকে অন্তত একটি সফল এলএনজি সরবরাহ চুক্তি সম্পাদনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ন্যূনতম ৫ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ দেখাতে হবে। এক্ষেত্রে একক প্রতিষ্ঠান কিংবা যৌথ উদ্যোগ—উভয় মাধ্যমেই আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। অবশ্য পূর্বে যারা তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

কারখানায় কমছে উৎপাদন, বাড়ছে সংকট

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)-এর একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন যে, শুধু বাড়তি আমদানি ব্যয়ই নয়, এই গ্যাস সংকটের বড় মূল্য চোকাতে হচ্ছে দেশের মূল শিল্প খাতকে। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে কারখানাগুলোতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে চরম ঘাটতি দেখা দেওয়ায় তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন একপর্যায়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছিল। কারখানাগুলোকে ঘন ঘন তাদের উৎপাদন পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হচ্ছে, যার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য চালান বা রপ্তানি সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষ করে কিছু কিছু নিটওয়্যার কারখানায় উৎপাদন প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানকে পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক ধাপে বা শিফটে কাজ পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা উৎপাদনের সময় এবং খরচ উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে। অবশ্য এটি নির্দিষ্ট কিছু কারখানার চিত্র, পুরো শিল্প খাতের উৎপাদন একই অনুপাতে কমেছে—এমনটি বলা যাবে না।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট। অথচ এর বিপরীতে দিনে মাত্র ২৭০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় গ্যাস ক্ষেত্রে উৎপাদন হ্রাস কিংবা এলএনজি আমদানিতে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে এই সরবরাহ আরও কমে ২২৫ থেকে ২৩০ কোটি ঘনফুটেও নেমে আসে। পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ার কারণে অনেক শিল্পকারখানাকে বাধ্য হয়ে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল বা ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা তাদের সার্বিক উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, উৎপাদন কমে গেলেও কারখানার স্থায়ী বা ফিক্সড কস্টগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ফলে কম পরিমাণ উৎপাদিত পণ্যের ওপর সেই স্থির খরচ ভাগ হয়ে যাওয়ায় প্রতি ইউনিট পণ্যের উৎপাদন ব্যয় আরও বেশি বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি প্রতিযোগিতা, নতুন শিল্প বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক কর্মসংস্থানের ওপর। খুচরা বাজারে পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রাখতে অনেক কোম্পানি স্থানীয় বাজারে পণ্যের আকার বা পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে ক্রেতার চাহিদা মেটানোর কৌশল বেছে নিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT