1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অনুমোদন ছাড়াই গুদামে ২৮৮ বস্তা সার মজুত: মাগুরায় ব্যবসায়ী কারাদণ্ড ও জরিমানার মুখে নীলফামারীতে কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্য কারখানা জব্দ: জরিমানা ও পৌনে ৬ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস আবারও আড়াই দিনে টেস্ট হারের শঙ্কায় পাকিস্তান! চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বড় জয় ‘লংমার্চের গাড়ি কি পানিতে নাকি তেলে চলে?’: বিরোধী দলকে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন ভাঙ্গায় বাসের নিচে মোটরসাইকেল: পিষে টেনে নিয়ে গেল ২০০ মিটার, নিহত ২ ৫৭ বছরের আইনি লড়াইয়ের অবসান: ফরিদপুরে ঢোল পিটিয়ে জমি ফেরত দিলেন আদালত ফরিদপুরে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ নারী, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের ফরিদপুরে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ২০, তিনদিনে দুই জনের মৃত্যু ৮ মাসে ২২৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা: আত্মহত্যার চেষ্টাকে অপরাধ নয়, রোগ হিসেবে দেখার আহ্বান

যশোর জেনারেল হাসপাতালে তীব্র ওষুধ সংকট, রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে অধিকাংশ ওষুধ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮৫ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :



চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল বরাদ্দের কারণে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ওষুধ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অধিকাংশ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে, যা বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বছরে আউটডোর ও ইনডোর মিলিয়ে প্রায় ৬৯ কোটি টাকার ওষুধের প্রয়োজন হলেও বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮ কোটি টাকার মতো। অর্থাৎ মোট চাহিদার সামান্য অংশই পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে চিকিৎসকদের দেওয়া প্রেসক্রিপশনের বেশিরভাগ ওষুধই রোগীদের নিজ খরচে সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

২৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে কয়েক হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। যশোরের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলার রোগীরাও এখানে চিকিৎসার জন্য ভিড় করেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতির কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কেনার পাশাপাশি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে করাতে হচ্ছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, শয্যা সংখ্যা সীমিত হলেও প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। পাশাপাশি আউটডোরে বিপুলসংখ্যক রোগী সেবা গ্রহণ করেন। তবে বরাদ্দকৃত ওষুধ দিয়ে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত কিছু ওষুধ পাওয়া গেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এ পরিস্থিতিতে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ওষুধের বরাদ্দ বৃদ্ধি না করা হলে সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং সরকারি হাসপাতালের প্রতি আস্থা কমে যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT