1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও উপস্থিতি নিশ্চিতে টেপাখোলায় হা-মীম গ্রুপের বাস্তবায়নে ‘মিড ডে মিল’ উদ্বোধন বিইআরসি নির্ধারিত দামের বাজারে অস্থিরতা: দাবি না মানলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি এলপিজি ব্যবসায়ীদের দুর্গাপূজায় সীমান্ত এলাকার ২,৭২৭ মণ্ডপে মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ২ কর্মী অসুস্থ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত ৬ষ্ঠ তলা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,১৬৭ জন হুথিদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোণঠাসা রিয়াদ: ইয়েমেনে স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিতে সৌদি আরব কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও জলবায়ু তহবিলের ওপর জোর দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: ডিসেম্বরের মধ্যে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের ডেটাবেইস গঠনের লক্ষ্য রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি হামলায় নিহত ও আহত ২৬ বাংলাদেশির পূর্ণাঙ্গ পরিচয় প্রকাশ ইলিশ নিষেধাজ্ঞার মৌসুমে পাতে চাপিলা: ইলিশের বিকল্প কি হতে পারবে এই ছোট মাছ?

জাপান থেকে বিপুল গাড়ি আমদানি এলসি ছাড়াই

বাংলার আকাশ ডট কম Email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩৩২ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক:

জাপান থেকে ‘মালয়েশিয়া স্টার’ জাহাজে করে ৮৭২টি গাড়ি এসেছে বাংলাদেশের দুই বন্দরে। এসব গাড়ির মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২১টি ও মোংলায় আছে ৫৫১টি। এসব গাড়ির উল্লেখযোগ্য সংখ্যকেরই ঋণপত্র (এলসি) নেই বলে অভিযোগ। তবে কতগুলোর ঋণপত্র নেই তা খতিয়ে দেখছে কাস্টমস। তিন শতাধিক আমদানিকারকের নামে আসা গাড়িগুলোর বেশির ভাগই সরবরাহ করেছেন জাপান প্রবাসী বাংলাদেশী জহীর উদ্দিন। দেশে যত রিকন্ডিশন্ড গাড়ি সরবরাহ দেয়া হয় তার সিংহভাগই তার কোম্পানি ক্রস কন্টিনেন্টালের।

জাহাজটির শিপিং এজেন্ট এনসিয়েন্ট স্টিমশিপ কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক মোরশেদ হারুন বলেন, মালয়েশিয়া স্টার জাহাজে মোট ৮৭২টি গাড়ি বাংলাদেশে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে সেগুলো নামিয়ে জাহাজটি এরই মধ্যে বাংলাদেশ ছেড়েছে। গাড়িগুলোর ঋণপত্র ছিল কিনা তা যাচাইয়ের দায়িত্ব শিপিং এজেন্টের নয়। এটি কাস্টমস, ব্যাংকের মতো রেগুলেটরি বডি নিশ্চিত করবে। আমরা অনুমতি পেয়েছি বলেই জাপান থেকে গাড়িবোঝাই করেছি এবং দুই বন্দরে নামিয়েছি। আমদানিকারকরা দ্রুত ঋণপত্র জমা দিয়ে গাড়িগুলো ছাড়ের ব্যবস্থা করতে না পারলে তারা শিপিং লাইন বিএল ইস্যু করতে পারবে না। আর বিএল ইস্যু করতে না পারলে সেটি শুল্কায়নের জন্য কাস্টমসে জমা পড়বে না। শুল্কায়ন না হলে গাড়িগুলো বন্দরেই পড়ে থাকবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস তথ্য অনুযায়ী, চালানের ডকুমেন্টেসে প্রতিটিতে আমদানি ও রফতানিকারকের ঠিকানার মাঝে ঋণপত্র খোলা ব্যাংকের নামও উল্লেখ থাকে। কিন্তু এ চালানের কোনো দলিলাদিতেই এলসি খোলা ব্যাংকের নাম উল্লেখ নেই। আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী, ঋণপত্র ছাড়া একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত অনুমোদিত পণ্য দেশে আনতে পারেন। যখনই বড় আকারের অর্থাৎ অনেক গাড়ি আমদানি হয়, তখন কোনোভাবেই ঋণপত্র না খুলে জাহাজীকরণের সুযোগ রাখা হয়নি আমদানি নীতিতে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার কামরুন নাহার লিলি বলেন, সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এর পরই প্রকৃত ঘটনা বোঝা যাবে।

(আহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT