দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে রান তাড়া করে দারুণ জয় পেয়েছিল ভারত। বিশেষ করে দ্বিতীয় ম্যাচে চারশর বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছিল স্বাগতিকরা। তবে সিরিজের শেষ ম্যাচে এসে আর জয় পাওয়া হলো না ভারতের। নিউ চন্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিতে হোয়াইওয়াশ এড়াল ক্যারিবীয়রা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) নিউ চন্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক ভারত। লোকেশ রাহুলের সেঞ্চুরির সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫১ রানের বড় সংগ্রহ পায় তারা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শাই হোপের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ভর করে ১০ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানেই জন ক্যাম্পবেলের উইকেট হারায় উইন্ডিজ। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে আমির জাঙ্গুকে সঙ্গে নিয়ে ১০৯ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক শাই হোপ। জাঙ্গু ৬৭ রান করে রানআউটের শিকার হন। এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড দ্রুত ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথে টিকিয়ে রাখেন হোপ। শেষ পর্যন্ত ১৪৩ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৬২ রানের অপরাজিত এক মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে দেড়শ রান করার অনন্য রেকর্ড গড়লেন এই ক্যারিবীয় দলপতি। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসেই শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৪ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ভারত। তবে রোহিত শর্মা ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ১৩৭ রানের জুটি দলকে সেই বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে। শতক থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থেকে (৮৫ বলে ৯২ রান) সাজঘরে ফেরেন রোহিত।
রোহিতের বিদায়ের পর দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শন করেন লোকেশ রাহুল। ক্যারিয়ারের নবম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এছাড়া রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের হাফ সেঞ্চুরি এবং নামান ধীরের ২১ বলে ৩০ ও আংশুল কামবোজের ৯ বলে ১৭ রানের ঝোড়ো ক্যামিওতে ভর করে ৩৫০ রানের গণ্ডি পার করে ভারত।