1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা সাজানোর দায়ে স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন ও জরিমানা অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে আশনা হাবিব ভাবনার ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব প্রিন্সেস’ আজকের নামাজের সময়সূচি দীর্ঘ ২২ বছর কারাবাসের পর হাসপাতালে মারা গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি কক্সবাজার থেকে ফিরেও বাসায় ফেরা হলো না, ধানক্ষেতে মিলল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ আফগানিস্তান সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের যুব দল ঘোষণা বিসিবির ফিলিস্তিনিদের জলপাই বাগান ও ঐতিহ্য দখল করছে ইসরায়েলিরা আবরার ফাহাদের পরিবারের দীর্ঘ সাত বছর পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ: খুনিদের বিচার ও বিভিন্ন দাবি উত্থাপন চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৯৪ জনে দাঁড়াল, বাড়ছে রোগীর চাপ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন ও জরিমানা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৮ Time View
ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের একটি প্রতীকী দৃশ্য।
ছবি : সংগৃহীত।

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও জোর করে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী মো. জিল্লুর মোল্লাকে (৪২) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ওই স্বামী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে এই দণ্ড কার্যকর হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত জিল্লুর মোল্লা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে নিহত সালেহা বেগম (২৪) তাঁর স্ত্রী ছিলেন।

যেভাবে বেরিয়ে আসে হত্যার সত্যতা

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে জিল্লুর ও সালেহার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে যৌতুকের দাবিতে সালেহাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন জিল্লুর। এর জের ধরে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল দুপুরে সালেহাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করেন তিনি। পরে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে তিনি প্রচার করেন যে তাঁর স্ত্রী বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ওই দিনই থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

তবে ঘটনার আড়াই মাস পর হাতে আসা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পুরো ঘটনা পাল্টে দেয়। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক মো. জহিরুল ইসলাম তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সালেহার মৃত্যুটি স্বাভাবিক ছিল না এবং তাঁকে জোর করে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে।

দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রায়

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২০১৯ সালের ৬ জুলাই নিহত সালেহার দুলাভাই ইমরান মোল্লা বাদী হয়ে স্বামী জিল্লুর মোল্লাসহ ছয়জনকে আসামি করে যৌতুকের দাবিতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ ও পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে। ২০২১ সালের নভেম্বরে পিবিআই ফরিদপুর কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ একমাত্র স্বামী জিল্লুরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এই রায় দেন।

রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, আসামি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রক্ষা পাননি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT