1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্মার্ট সরকারি ব্যয়ে কৃষিতে বাড়তে পারে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান: বিশ্বব্যাংক সালথায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু, পারিবারিক কলহের জের বলে ধারণা আইন, বিচার বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি হলেন আন্দালিব রহমান পার্থ কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক বিমান হামলা, নিহত ৯ ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৪ দিল্লি বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখা হয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, সফর বাতিল ঝালকাঠিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ৭ এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের সাজার আপিল ৭ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১২ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা পটুয়াখালীতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ

পটুয়াখালীতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ২৪ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


পটুয়াখালীর উপকূলীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘিরে অবৈধ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বনভূমি ব্যবহার করে বিপুল অর্থ উপার্জন করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

দশমিনা উপজেলার চর হায়দর, লাল চর ও আগলা চর—এই তিনটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মোট আয়তন প্রায় ২ হাজার ২৯৫ একর। অভিযোগ রয়েছে, এসব এলাকায় বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রভাবশালী মহল বন দখল ও ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, বনাঞ্চলের ভেতরের খালে বাঁধ দিয়ে এবং অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যার বিনিময়ে জেলেদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে মাছ ধরতে না দেওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে। এতে জীবিকা সংকটে পড়েছেন স্থানীয় জেলেরা।

এছাড়া মহিষ চরানোর জন্যও টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পশুপালনকারীরা। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

অভিযোগের বিষয়ে দশমিনা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কাউকে বনাঞ্চল লিজ দেওয়া হয়নি। কিছু ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব কার্যক্রম চালাতে পারে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে গাছ কাটার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা মৎস্য সম্পদের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি প্রতিরোধ করা জরুরি।

অন্যদিকে উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোসা. নুরুন্নাহার বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি লিজ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় বন শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এসব বনাঞ্চলে অনিয়ম বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT