বাংলার আকাশ ডেস্ক :
সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একাধিক আলোচনা শেষে দেশে ফিরে তিনি এ মন্তব্য করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
গালিবফ বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা ইরানের অধীনেই থাকবে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক বৈঠকগুলোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনায় হরমুজ প্রণালী, লেবাননের পরিস্থিতি, তেল বাণিজ্য এবং জব্দকৃত সম্পদ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর মধ্যস্থতাকারীরা জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ সচল রাখা এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে ইরানের তেল খাতের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জব্দ থাকা কিছু সম্পদ ছাড়ের বিষয়েও আলোচনা এগিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই কূটনৈতিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।