বাংলার আকাশ ডেস্ক :
ময়মনসিংহে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার কাঙ্ক্ষিত মুনাফা নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা। একইসঙ্গে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ করলে বাজারদর কমে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এবার ময়মনসিংহে কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ২৬৬টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪৮টি পশু। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৭টি গরু, ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬৬টি ছাগল, ৫ হাজার ৩৪৪টি ভেড়া এবং ৮৮৬টি মহিষ।
জেলার চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার একটি খামারে দেখা যায়, দুই বন্ধু আনিসুর রহমান ও আজাদ ইসলামসহ কয়েকজন কর্মী গরুগুলোর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের খামারে শাহিওয়াল ও দেশি জাতের ৪৪টি গরু কোরবানির বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
খামারিরা জানান, পশুগুলো প্রাকৃতিক খাবারে লালন-পালন করা হচ্ছে এবং ভালো বৃদ্ধিও হয়েছে। তবে ন্যায্য দাম না পেলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তারা।
খামারি আনিসুর রহমান বলেন, ন্যায্য দাম না পেলে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। অন্যদিকে খামারি আফিয়া খাতুন বলেন, সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ না করলে তারা ভালো দাম পাবেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম জানান, পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৫৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পশু প্রবেশ রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।