1. admin@banglarakash.com : admin :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাঈমকে ‘মারধরের’ ঘটনায় বিসিবির গভীর উদ্বেগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লালমাটিয়ায় ইন্টারনেট অফিসে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, একজন গ্রেফতার কক্সবাজারে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ও অভ্যর্থনা অপহরণ নয়, ধর্ষণ মামলার ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান: পুলিশ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্বাক্ষরে জেনেভাকে ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব সুইজারল্যান্ডের কক্সবাজার সফরে ঢাকা ছাড়লেন তারেক রহমান, দিনভর কর্মসূচি কক্সবাজার সফরে তারেক রহমান, বিমানবন্দর ও শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা নদীপথে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির বাধায় ফিরিয়ে নিল বিএসএফ যুক্তরাষ্ট্রের দাপুটে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু, প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারাল স্বাগতিকরা

অপহরণ নয়, ধর্ষণ মামলার ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান: পুলিশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ২৬ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানকে কেউ অপহরণ করেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের দাবি, এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণ অভিযোগের পরিণতি এড়াতে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের চাচাতো ভাই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যেখানে বলা হয় ১১ জুন রাতে তিনি নিখোঁজ হন। এরপর পুলিশ তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান চালায়।

তদন্তে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে এক বিধবা নারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নারীর অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের প্রলোভনে তাকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের শিকার করা হয় এবং পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

পুলিশ আরও জানায়, পরবর্তীতে গর্ভপাতের ঘটনাও ঘটে এবং বিষয়টি সামনে এলে বিয়ের চাপ তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি এড়াতেই জিসান আত্মগোপনে যান বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের দাবি অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করতে পরিবারের মাধ্যমে থানায় জিডি করা হয়েছিল।

এর আগে উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন তাকে অপহরণ করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এখন পর্যন্ত অপহরণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় ওই নারী দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় জিসানসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT