1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন প্রায় ৬৪ হাজার হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা আয়োজনে ফরিদপুরে প্রস্তুতি সভা আশুরার তাজিয়া মিছিলে অস্ত্র বহন ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করল ডিএমপি ৭ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে, দাবি গালিবফের আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আওয়ামী লীগ নেতা আটকের পর মুচলেকায় মুক্তি, বিএনপি নেতাদের দাবিতে আলোচনা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিল মালয়েশিয়া তদন্তের পর সাদুল্লাপুরে বিতর্কিত জমি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত

সকালের নাস্তায় কী খাবেন?

বাংলার আকাশ ডট কম email: banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ২১৯ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্কঃ

সকালের নাস্তা নিয়ে অনেকেই অবহেলা করে থাকেন। কেউ কেউ একেবারেই সকালে কিছু খান না। আবার কেউ হাল্কা খাবার খান। দিনের পর দিন এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকলে শরীরে ক্যালরির ঘাটতি পড়ে। এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। অথচ প্রাতঃরাশই আমাদের সারা দিনের শক্তির জোগান দেয়। রাতের খাবার খাওয়ার পর দীর্ঘ ১০-১২ ঘণ্টা উপবাস ভাঙা হয় প্রাতঃরাশ দিয়ে।

স্বাভাবিকভাবেই এই খাবারটি গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তি শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় খরচ হয়ে যায়। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখনো এটি খরচ হতে থাকে। এ জন্য ঘুম থেকে উঠার পরই এটা পূরণ করে ফেলা উচিত। সেই কারণে যারা সকালে কিছুই খান না, তারা ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করেন।

অনেকে মনে করেন সকালের নাস্তা না খেলে ওজন কমে যাবে। আসলে তা হয় না। পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যকর নাস্তা আপনার দৈহিক ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে। দেহের বিপাক ক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয় এবং সারা দিন ধরে প্রচুর শক্তি খরচ করতে সহায়তা করে। যদি নাস্তা বাদ দেওয়া হয়, তাহলে কার্য প্রবণতা ও কর্মক্ষমতা কমে যাবে।

সকালের নাস্তা অবশ্যই সুষম হতে হবে। কারণ আমাদের দেহে প্রতিটি খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন আছে। এ সময় শর্করার দিকে জোর দিতে হবে। শর্করা আমাদের দেহে সেরোটোনিন নিঃসরণের মাধ্যমে মন, মেজাজ ও মানসিক অবস্থাকে উন্নত করে। ফলে মনকে সজীব ও সতেজ রাখে। অর্থাৎ শর্করা শুধু শক্তিই প্রদান করে না।

সকালের নাস্তায় পানীয় হিসাবে রাখা যেতে পারে গ্রিনটি, চা-কফি, লাচ্ছি, ঘোল, ফলের রস ইত্যাদি। খুব ভালো হয়, যদি ঘুম থেকে উঠার দু’এক ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা খেয়ে ফেলা যায়। যেহেতু এটা দিনের প্রথম খাবার এবং আগের রাতের পরিপূরক, সে কারণেই আগের রাতের খাওয়ার সময়ের সঙ্গে ভারসাম্য রেখেই নাস্তার সময় ঠিক করা ভালো। রাতের খাবার ও সকালের নাস্তার মধ্যে যেন বারো ঘণ্টার বেশি ব্যবধান না হয়। নাস্তা খাওয়া উচিত সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে।

 (আাহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT