1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, প্রকাশ হলো সময়সূচি কুমিল্লায় ৯২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি-কাপড়সহ দুটি গাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি তিন জেলায় ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’ পদে কর্মী নিচ্ছে যমুনা ব্যাংক দুই দিনেই টেস্টে কুপোকাত, বাকি তিন দিন ‘ঘুমিয়ে পার করবেন’ শান্ত ফরিদপুরে মাদকের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল: ডা. শফিকুর রহমান খাদ্য কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর ২০২৭ সালের ৩০ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন কাজী নজরুলের রাগভিত্তিক গান নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’

বর্জ্য সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত ফি আদায়ে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৯১ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রাজধানীতে প্রতিদিন ঘরে ঘরে বর্জ্য সংগ্রহের আড়ালে গড়ে উঠেছে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি অর্থ আদায়, অনিয়ম এবং সেবার মান নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২২টি থানা ও ৭৫টি ওয়ার্ডে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন করা হলেও কাজ পাওয়ার জন্য তাদের উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অফেরতযোগ্য জামানত জমা দিতে হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে মাসিক সর্বোচ্চ ১০০ টাকা বর্জ্য সংগ্রহ ফি নেওয়ার কথা। তবে বিভিন্ন এলাকায় এর চেয়ে বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কোথাও ফ্ল্যাটপ্রতি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ছোট দোকান থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট থেকে দুই হাজার টাকারও বেশি আদায় করা হচ্ছে। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায়ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু এলাকায় বৈধ অনুমোদন ছাড়াই প্রভাবশালী একটি চক্র বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাসিন্দাদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো বর্জ্য অপসারণ করা হয় না। কোথাও অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সেবা পেতেও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে পুরো ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জানান, বর্তমানে এ ধরনের কোনো টেন্ডার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে ঘিরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে সেবার মান যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি রাষ্ট্রও আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নজরদারি ও নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT