1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পকলা একাডেমির দেয়ালে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা রিয়াদে হুথি হামলায় নিহত আলেম মাওলানা নাসরুল্লাহর শেষ বার্তা: বাইতুল্লাহ যিয়ারতের আবেগঘন আকুতি দুর্গাপূজায় ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত, থাকছে না ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফলভাবে সম্পন্ন হলো প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়া কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশনের গাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা লুট: ঘটনার একদিন পর শ্রীপুর থানায় মামলা সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি ও নিগারের ফিফটির পরও ব্রিসবেনে ৯ উইকেটে হারল বাংলাদেশ ইউক্রেনে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরমর্শ ট্রাম্পের: রাশিয়ার শোধনাগারে হামলায় জেলেনস্কিকে কড়া হুঁশিয়ারি সিইসির পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে উত্তাল পরিস্থিতি: একদিনেই সাত হাজারের বেশি আটক মহাকাশ যুগের সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মহাশূন্যে গেছেন ৫২ দেশের ৭৪৬ জন মানুষ

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৭ Time View
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের প্রতিটি কন্যাশিশুর মানসম্মত শিক্ষা, সামগ্রিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সুনির্দিষ্ট নীতি এবং বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, কেবল অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা কিংবা লিঙ্গবৈষম্যের কারণে দেশের কোনো একটি মেয়ের স্বপ্ন যেন পথিমধ্যে থমকে না যায়, তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন সঠিক শিক্ষা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অদম্য আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে নিজ সম্ভাবনা প্রকাশের সমান সুযোগ লাভ করতে পারে—এটিই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার।

আগামীকাল পালিত হতে যাওয়া ‘জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) দেওয়া বিশেষ এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব আশাব্যঞ্জক কথা তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, প্রতিটি মেয়ে যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠতে পারে এবং স্বাধীনভাবে নিজের স্বপ্ন ও সুপ্ত মেধা বিকশিত করার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। আর বর্তমান সরকার এই দায়িত্ব পালনে শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। আজকের কন্যাশিশুরাই মূলত আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর। তাদের যথাযথ মেধা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্নের মূল্যায়ন করতে পারলে তারা ভবিষ্যতে একটি জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে দেশের প্রতিটি কন্যাপুত্রের অধিকার ও মর্যাদা সংরক্ষণে সবাইকে আরও সুদৃঢ় শপথ গ্রহণ করতে হবে। বাল্যবিবাহ ও যেকোনো ধরণের কুসংস্কারমূলক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। কন্যাশিশুদের স্বাধীন ও নিরাপদে বেড়ে ওঠার প্রাথমিক শর্তই হলো শিক্ষার সুসংগঠিত সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ করে গড়ে তোলা।

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশোনার পথ উন্মুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও মানবিক সমাজ গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে কন্যাপুত্রের জন্ম প্রতিটি পরিবারের কাছে পরম আশীর্বাদ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই তার শিক্ষার আলো বন্ধ হবে না। প্রতিটি মেয়ে যেন নিজ যোগ্যতা ও ইচ্ছানুযায়ী সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। একটি কন্যাপুত্রকে আজকে উপযুক্ত শিক্ষা, ভালোবাসা, অধিকার ও সুযোগ দিয়ে গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই কেবল আগামী দিনের একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব।

নারীর সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি যোগ করেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে কন্যাশিশুর নিরাপদ জীবনযাত্রার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। নারীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে দেশের প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কন্যাশিশু ও নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যানুশীলতা, সঠিক পুষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষামূলক একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজও দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের এসব উদ্যোগ কন্যাশিশুর উচ্চশিক্ষা, বিশেষ দক্ষতা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথকে আরও সুগম ও সহজ করবে। এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে দেশের প্রতিটি মেয়ে কোনো প্রকার ভয় ছাড়া চলাচল করতে, শিখতে, বলতে ও নিজ মত প্রকাশ করতে পারে। বাস্তব জীবন থেকে শুরু করে ডিজিটাল ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম—সব জায়গায় তাদের সুরক্ষা, সম্মান ও অধিকার রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বিশেষভাবে বলেন, কন্যাশিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে পরিবারের সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য। এজন্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে তারেক রহমান ব্যক্ত করেন, একটি কন্যাশিশুর স্বপ্নকে শক্তিতে, অর্জন করা শিক্ষাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সক্ষমতায় এবং সুপ্ত সম্ভাবনাকে চূড়ান্ত সাফল্যে পরিণত করার মধ্য দিয়েই নতুন দিনের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তাই কন্যাশিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করাই হোক আমাদের সকলের ঐকান্তিক অঙ্গীকার।

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বস্তরের কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবকমণ্ডলী এবং সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT