1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও উপস্থিতি নিশ্চিতে টেপাখোলায় হা-মীম গ্রুপের বাস্তবায়নে ‘মিড ডে মিল’ উদ্বোধন বিইআরসি নির্ধারিত দামের বাজারে অস্থিরতা: দাবি না মানলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি এলপিজি ব্যবসায়ীদের দুর্গাপূজায় সীমান্ত এলাকার ২,৭২৭ মণ্ডপে মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ২ কর্মী অসুস্থ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত ৬ষ্ঠ তলা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,১৬৭ জন হুথিদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোণঠাসা রিয়াদ: ইয়েমেনে স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিতে সৌদি আরব কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও জলবায়ু তহবিলের ওপর জোর দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: ডিসেম্বরের মধ্যে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের ডেটাবেইস গঠনের লক্ষ্য রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি হামলায় নিহত ও আহত ২৬ বাংলাদেশির পূর্ণাঙ্গ পরিচয় প্রকাশ ইলিশ নিষেধাজ্ঞার মৌসুমে পাতে চাপিলা: ইলিশের বিকল্প কি হতে পারবে এই ছোট মাছ?

পাসহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও তদারকির অভাবই দায়ী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩৫ Time View
ফাঁকা ক্লাসরুম অথবা মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর খালি হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পরীক্ষার্থীদের প্রতীকী ছবি।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করায় শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনের তদারকির অভাব নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর প্রশ্ন।

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও সিরাজগঞ্জের একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। কোথাও ১২ থেকে ১৬ জন শিক্ষকের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র দুই থেকে পাঁচজন, অথচ ফলাফলে শতভাগ অকৃতকার্য। এমন লজ্জাজনক পরিস্থিতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গভীর সংকট, কাঠামোগত দুর্বলতা এবং শিক্ষক ও প্রশাসনের চরম দায়িত্বহীনতারই বহিঃপ্রকাশ।

পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়ে ফল খারাপ করেছে—শিক্ষকদের এমন দাবি কেবল যুক্তিহীনই নয়, বরং পেশাগত অবহেলা ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র। নীতি-নৈতিকতা ও উপযুক্ত দিকনির্দেশনা দেওয়ার জায়গায় থেকে ভয়ের অজুহাত তুলে দায় এড়ানো যায় না।

তবে কেবল শিক্ষকদের অযোগ্যতাকে এককভাবে দায়ী করলেও পুরো সত্য সামনে আসে না। সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জের চরটেংরাইল দাখিল মাদ্রাসা কিংবা লালমনিরহাটের এ এম রথবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পান না। যেখানে একজন শিক্ষকের পরিবারের ন্যূনতম চাহিদা মেটানোই কঠিন, সেখানে তাঁর কাছ থেকে একাগ্র পাঠদান প্রত্যাশা করা কঠিন। পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের তীব্র অভাব ও কাঠামোগত নানা জটিলতা পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে।

এর পাশাপাশি শিক্ষা কর্মকর্তাদের চরম অবহেলা ও দায়সারা তদারকি এই ব্যর্থতার বড় কারণ। একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলেও সেখানে গুণগত শিক্ষার মান নিশ্চিত হচ্ছে কি না, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক আছেন কি না বা নিয়মিত পাঠদান চলছে কি না—সে বিষয়ে প্রশাসনিক নজরদারির অভাব স্পষ্ট।

ফলাফল বিপর্যয়ের পর শোকজ নোটিশ দেওয়া বা প্রশাসনিক হুঁশিয়ারি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। ভবনের সৌন্দর্য কিংবা শিক্ষক নিয়োগের সংখ্যা দিয়ে শিক্ষার মান মাপা যায় না; তার জন্য চাই স্বচ্ছ জবাবদিহি ও গুণগত মান। শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত বেতন-ভাতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারী শিক্ষক ও তদারকিতে ব্যর্থ জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এখনই কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT