বাংলার আকাশ ডেস্ক :
২০১৪ বিশ্বকাপের সেই স্মরণীয় ৭-১ গোলের ব্যবধানে হারের পর ব্রাজিল ও জার্মানির মুখোমুখি লড়াই ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বাড়তি আবেগ ও উত্তেজনার বিষয় হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও এই দুই ফুটবল শক্তির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নতুন ফরম্যাটের ৪৮ দলের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে দুই দলের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার পথ। টুর্নামেন্টের শুরুতেই রাউন্ড অব ৩২ পর্বে ব্রাজিল-জার্মানি ম্যাচ হওয়ার একটি সুযোগ রয়েছে।
সমীকরণ অনুযায়ী, জার্মানি যদি নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করে এবং ব্রাজিল তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়, তাহলে প্রথম দিকেই দুই দলের মহারণ দেখা যেতে পারে।
তবে দুই দল যদি নিজেদের গ্রুপে ভালো অবস্থানে থেকে চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হিসেবে পরের ধাপে ওঠে, তাহলে তাদের লড়াই পিছিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
ব্রাজিল ও জার্মানির ফুটবল ইতিহাসে রয়েছে বহু স্মরণীয় অধ্যায়। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ঐতিহাসিক জয় এখনো ফুটবল বিশ্বে আলোচিত। সেই ম্যাচের স্মৃতি যেমন ব্রাজিলের জন্য বেদনার, তেমনি জার্মানির জন্য গৌরবের।
২০২৬ বিশ্বকাপে দুই দলের সম্ভাব্য লড়াই তাই শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং অতীতের হিসাব, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তির মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন অপেক্ষা শুধু গ্রুপ পর্বের ফলাফল ও নকআউট পর্বের সমীকরণের।