বাংলার আকাশ ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের আদলে গড়ে তোলার পরিবর্তে দেশের নিজস্ব বাস্তবতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণই সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য সরকার ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অতীতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন উন্নত দেশের মডেলে গড়ে তোলার কথা বলা হলেও তার লক্ষ্য হলো দেশের নিজস্ব সক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যকে ভিত্তি করে একটি আরও উন্নত বাংলাদেশ তৈরি করা। এ ধরনের পরিবর্তন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, বরং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও সুশৃঙ্খল নগরীতে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও বাসিন্দাদের এ কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
নগর ব্যবস্থাপনা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে যানবাহনের সুশৃঙ্খল চলাচল, সঠিক পার্কিং ব্যবস্থা এবং পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের অনেক কাজ বাস্তবায়িত হয়নি। এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা হবে।
কক্সবাজারের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর উন্নয়নে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং সেখানে একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে গভীর রাতে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।