বাংলার আকাশ ডেস্ক :
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসব পণ্যের ক্ষেত্রে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে কর প্রযোজ্য থাকলেও নতুন বাজেটে তা কমিয়ে মাত্র ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো।
কর ছাড়ের আওতায় ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলের পাশাপাশি গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ এবং কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বীজ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, করের বোঝা কমলে ব্যবসায়ীদের ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে পড়তে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা সহজ হবে।
এদিকে দেশীয় ভোজ্যতেল উৎপাদনে উৎসাহ দিতে নতুন বাজেটে একটি বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব রাখা হতে পারে। দেশীয় তৈলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ১০ বছরের কর অবকাশ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জ্বালানি খাতেও কিছু কর সুবিধার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রিফাইনারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে উৎসে করের হার ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। এতে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।