1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে তরুণীকে যৌনপল্লীতে আটকে রাখার দায়ে নারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড রোনালদো-এমবাপেকে টপকে ক্লাবে ৩০০ গোলের মাইলফলকে হালান্ড গ্রিসে বিমান প্রদর্শনীতে কসরতের সময় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২ পাইলট নদী বাঁচানোর আহ্বানে ঘাঘটের বুকে নৌকা বাইচ: দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খেলোয়াড়দের মোবাইল ফোন জব্দ করল পিসিবি: ইংল্যান্ড সফরে নতুন বিতর্ক ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা: আবহাওয়া পূর্বাভাস আমেরিকায় পরিবারহীন জন্মদিন: মেয়েকে না পাওয়ার কষ্টে আবেগপ্লুত ইমরান রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু সিসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল

জাপানিজ এনসেফালাইটিস কী, কেন হয় ও কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১১৭ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কপ্রদাহ হলো মস্তিষ্কের টিস্যুতে সৃষ্ট একটি গুরুতর প্রদাহজনিত রোগ, যা দ্রুত চিকিৎসা না পেলে জীবনঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণই এর প্রধান কারণ হলেও ব্যাকটেরিয়া, অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণের কারণেও এ রোগ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানিজ এনসেফালাইটিস হলো মশাবাহিত একটি বিরল ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ায়। বুনো শুকর ও জলচর পাখি এই ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং মশার মাধ্যমে এটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

এনসেফালাইটিসের সাধারণ লক্ষণ

প্রাথমিক পর্যায়ে উপসর্গ অনেক সময় সাধারণ জ্বরের মতো দেখা যায়। যেমন—

  • জ্বর
  • মাথাব্যথা
  • দুর্বলতা ও ক্লান্তি
  • শরীর ব্যথা
  • বমি বমি ভাব

গুরুতর লক্ষণ

রোগ জটিল হলে স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন—

  • খিঁচুনি
  • বিভ্রান্তি বা আচরণগত পরিবর্তন
  • স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
  • কথা বলতে সমস্যা
  • অচেতনতা বা অতিরিক্ত ঘুমভাব
  • হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া
  • আলো সহ্য করতে কষ্ট হওয়া

শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কান্না, খেতে না চাওয়া, শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া বা মাথার ফন্টানেল ফুলে ওঠার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

কারণ

এনসেফালাইটিসের প্রধান কারণগুলো হলো—

  • ভাইরাস সংক্রমণ (হারপিস, জাপানিজ এনসেফালাইটিস, চিকেনপক্স ইত্যাদি)
  • অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া
  • ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস বা পরজীবী সংক্রমণ (বিরল ক্ষেত্রে)

কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়

চিকিৎসকরা সাধারণত উপসর্গ দেখে বিভিন্ন পরীক্ষা করেন— রক্ত পরীক্ষা, এমআরআই/সিটি স্ক্যান, লাম্বার পাংচার, ইইজি এবং ভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা।

চিকিৎসা

এনসেফালাইটিস হলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি। চিকিৎসায় থাকতে পারে—

  • অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ
  • খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের ওষুধ
  • জ্বর ও ব্যথার চিকিৎসা
  • অক্সিজেন বা আইসিইউ সাপোর্ট
  • অটোইমিউন ক্ষেত্রে স্টেরয়েড বা ইমিউনোথেরাপি
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পরিচর্যা

প্রতিরোধ

  • টিকা গ্রহণ
  • মশার কামড় থেকে সুরক্ষা
  • ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
  • সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে সতর্কতা

কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন

জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি, অস্বাভাবিক আচরণ, তীব্র মাথাব্যথা বা অচেতনতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, এ রোগ দ্রুত জটিল হয়ে উঠতে পারে, তাই দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT