1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ১৫১ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


দেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন গ্যাসক্ষেত্র তিতাসে উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাসের চাহিদা বাড়লেও নতুন মজুত আবিষ্কারের গতি সন্তোষজনক নয়, ফলে ভবিষ্যতে সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র প্রায় ছয় দশক ধরে দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও যেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হতো, বর্তমানে তা কমে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে উত্তোলনের ফলে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের উত্তোলনযোগ্য মজুতের বড় অংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের অভাব দেশের জ্বালানি খাতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন কমে যাওয়ার বিষয়টি মোকাবিলায় নতুন অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তিতাস-৩১ নম্বর কূপে গভীর অনুসন্ধান চলছে, যেখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস মজুত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া তিতাস-২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর কূপ খননের কাজও এগিয়ে চলছে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) জানিয়েছে, নতুন কূপগুলো সফল হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে এবং উৎপাদন হ্রাসের চাপ কিছুটা কমবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের ওপর নির্ভর না করে দেশের সম্ভাবনাময় নতুন এলাকাগুলোতে অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা জরুরি। পাশাপাশি বাপেক্স ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে অনুসন্ধান কার্যক্রমকে গতিশীল করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT