1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, করছাড় ও নতুন নীতি আসছে ইরান-ইসরাইল সংঘাত: আবার হামলা হলে নেতানিয়াহুকে ‘একাই সামলাতে হবে’—ট্রাম্পের সতর্কবার্তা এইচ-১বি ভিসায় ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের ফি বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রের আদালত চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার টাঙ্গাইলে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৪ চোট কাটিয়ে ফেরার পথে নেইমার, মেডিকেল রিপোর্টে ইতিবাচক অগ্রগতি ইরান-ইসরাইল উত্তেজনায় সাময়িক বিরতি, পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি অব্যাহত তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন হ্রাস, জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেশের ১৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত অবৈধ বিদেশি ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া, দেশব্যাপী অভিযান জোরদারের নির্দেশ

বাজেটে স্বস্তির ইঙ্গিত: ৬০ নিত্যপণ্যে কর কমানোর প্রস্তাব, ভোজ্যতেল উৎপাদনে ১০ বছরের কর অবকাশ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ২৬ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যাপক কর ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, আলু, গমসহ প্রায় ৬০টি কৃষি ও নিত্যপণ্যের ওপর উৎসে কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসব পণ্যের ক্ষেত্রে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে কর প্রযোজ্য থাকলেও নতুন বাজেটে তা কমিয়ে মাত্র ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো।

কর ছাড়ের আওতায় ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলের পাশাপাশি গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ এবং কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বীজ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, করের বোঝা কমলে ব্যবসায়ীদের ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে পড়তে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা সহজ হবে।

এদিকে দেশীয় ভোজ্যতেল উৎপাদনে উৎসাহ দিতে নতুন বাজেটে একটি বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব রাখা হতে পারে। দেশীয় তৈলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ১০ বছরের কর অবকাশ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্বালানি খাতেও কিছু কর সুবিধার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রিফাইনারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে উৎসে করের হার ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। এতে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT