দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
ইসলামে আজানের জবাব দেওয়া এবং এর পরবর্তী দোয়া পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। মুয়াজ্জিন যখন আজান দেন, তখন মনোযোগ দিয়ে আজানের উত্তর দেওয়া এবং আজান শেষে রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত দোয়া পাঠ করলে গুনাহ খাতা মাফ হয়ে যায়।
হাদিসের বর্ণনা ও দোয়া:
হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শোনার পর নিম্নোক্ত দোয়াটি পাঠ করবে, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে—
আরবি:
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا، وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا، وَبِالإِسْلَامِ دِينًا
উচ্চারণ:
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু; রাদিতু বিল্লাহি রাব্বা, ওয়া বিমুহাম্মাদিন (সা.) রাসুলা, ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা।
অর্থ:
‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইবাদতের যোগ্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসুল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছি।’ (সহিহ মুসলিম: ৩৮৬, আবু দাউদ: ৫২৫, তিরমিজি: ২১০)
আজানের পর নিয়মিত এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে একজন মুমিন খুব সহজেই আল্লাহর অফুরন্ত রহমত ও গুনাহ মাফের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেন।