বাংলার আকাশ ডেস্ক :
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত মে মাসে দেশে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
এর আগে এপ্রিল মাসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে। মার্চের এই পরিমাণ দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহের রেকর্ড গড়ে।
এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেও ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে কোনো একক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণের প্রবণতা বৃদ্ধি, প্রবাসী কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচির কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।