দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:
গরুর মাংস নিয়ে অনেকের মনেই নানামুখী দ্বিধা কাজ করে। কেউ মনে করেন এটি খেলে দ্রুত রক্তে কোলেস্টেরল ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে, আবার কেউ একে পুষ্টির অপরিহার্য উৎস হিসেবে দেখেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, গরুর মাংস পুরোপুরি খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কতটা খাওয়া হচ্ছে, মাংসের কোন অংশ নির্বাচন করা হচ্ছে এবং তা কীভাবে রান্না করা হচ্ছে—এই বিষয়গুলোর ওপরই মূলত স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ভর করে।
গরুর মাংসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
গরুর মাংস উচ্চমানের প্রাণিজ প্রোটিনের চমৎকার উৎস। এতে রয়েছে জিংক, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং ভিটামিন বি২, বি৩, বি৬ ও বি১২। এসব উপাদান শরীরের পেশি গঠন, রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ, স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা পূরণে কেবল লাল মাংসের ওপর নির্ভর না করে মাছ, ডিম, দুধ, ডাল ও বাদামের মতো খাবার যুক্ত করা উচিত। বিশেষ করে কিডনি রোগী বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের প্রোটিন গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে রান্নার সঠিক উপায়
অতিরিক্ত বা ভুল নিয়মে গরুর মাংস খেলে রক্তে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল (LDL) ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। কম ঝুঁকিতে মাংস খাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক:
পরিমিত মাত্রা, সঠিক অংশ নির্বাচন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খেলে গরুর মাংস সহজেই পুষ্টিকর খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে উঠতে পারে।