1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, প্রকাশ হলো সময়সূচি কুমিল্লায় ৯২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি-কাপড়সহ দুটি গাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি তিন জেলায় ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’ পদে কর্মী নিচ্ছে যমুনা ব্যাংক দুই দিনেই টেস্টে কুপোকাত, বাকি তিন দিন ‘ঘুমিয়ে পার করবেন’ শান্ত ফরিদপুরে মাদকের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল: ডা. শফিকুর রহমান খাদ্য কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর ২০২৭ সালের ৩০ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন কাজী নজরুলের রাগভিত্তিক গান নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’

শাহজালালে পড়ে থাকা ১২টি উড়োজাহাজ ভাঙারি হিসেবে নিলামের উদ্যোগ বেবিচকের!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭১ Time View
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো অ্যাপ্রোনে পড়ে থাকা ইউনাইটেড ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজের পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা ১২টি পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ স্ক্র্যাপ বা ভাঙারি হিসেবে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বিমানবন্দরের জায়গা খালি করা এবং কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এগুলো নিলামে তোলার অনুমোদন চেয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গত ১৬ জুলাই বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এই প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে পাঠান।

বর্তমানে বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো অ্যাপ্রোনে পড়ে থাকা ১২টি উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৮টি, রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের ২ টি এবং জিএমজি এয়ারলাইন্স ও অ্যাঞ্জেল এয়ারওয়েজের ১টি করে উড়োজাহাজ। প্রতিষ্ঠানগুলোর এই উড়োজাহাজগুলো প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার ১০০ বর্গফুট জায়গা দখল করে রয়েছে, যার ফলে বিমানবন্দরের কার্গো সেবা ও পার্কিং কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বেবিচক জানায়, উড়োজাহাজগুলোর উড্ডয়নযোগ্যতার মেয়াদ শেষ হলে নিয়ম অনুযায়ী এগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা হয়। মালিকপক্ষকে বারবার অপসারণের নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা নিরসন শেষে ২০২৪ সালের ২৬ মে উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্ত করে বেবিচক।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী উড়োজাহাজের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয়। তবে সেই মূল্যায়ন ব্যয় সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই অতিরিক্ত খরচ এড়াতে কোনো ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, দীর্ঘ দিন পড়ে থাকায় উড়োজাহাজগুলো এখন মূলত স্ক্র্যাপে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই দ্রুত নিলাম কার্যক্রম শুরু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT