1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরের নগরকান্দায় যুবকের আত্মহত্যা, এলাকায় শোক মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক নারীর মধুখালীতে অভিযানে ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা শরণখোলায় আগুনে ভস্মীভূত ৫ দোকান, লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বন্ধুদের সঙ্গে পাহাড় ভ্রমণে গিয়ে প্রাণ হারালেন যুবক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে দেশে আরও ৭-৮টি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে ফরিদপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফরিদপুরে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান ফরিদপুরে হামের প্রকোপ কমছে না, ছয় মাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৪২২ জন

টাকার মান আরও কমল

বাংলার আকাশ ডট কম email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
  • ২৯২ Time View

মার্কিন ডলারের বিপরীতে আবারও টাকার মান কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  সোমবার প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার ৮০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছিল। এরপর আরও ১০ পয়সা বাড়ানো হয়।

সূত্র জানায়, বাজারের ডলারের তীব্র সংকট থাকায় অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করতে এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারের সুবিধা দিতে ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের চার মাসে কয়েক দফায় ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে।

গত জানুয়ারির শুরুতে ডলারের বিনিময়মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর ২৩ মার্চ ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল।

গত ২৭ এপ্রিল বাড়ানো হয় ২৫ পয়সা। তাতে ১ ডলারের বিনিময়মূল্য দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সায়। ৯ মে ডলারের বিনিময়মূল্য ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। ডলারের দাম বাড়ায় আলোচ্য হারে টাকার মান কেমেছে।

এক বছর আগে অর্থাৎ গত বছরের মে মাসে প্রতি ডলার আন্তঃব্যাংকে বিক্রি হয়েছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা দরে। ওই সময়ে ডলারের দাম বাড়ল এক টাকা ৯০ পয়সা।

করোনার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ায় আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পণ্যের দামও বেড়েছে। সব মিলে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই ফেব্রুয়ারি সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৪৭ শতাংশ, এলসি খোলা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া করোনার কারণে স্থগিত এলসির দেনা এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে।

এর সঙ্গে রয়েছে চলমান বৈদেশিক ঋণের কিস্তির পাশাপাশি করোনার সময়কার স্থগিত কিস্তি। সব মিলে বাজারে ডলারের চাহিদা বেশি। এদিকে আমদানির তুলনায় রপ্তানি না বাড়ায় এবং রেমিট্যান্স কমায় বাজারে ডলারের জোগান কমেছে। এসব কারণে এর দাম বাড়ছে।

এদিকে ডলারের দাম বাড়ার ফলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারজনিত সুবিধা পাবে। টাকার অবমূল্যায়নের ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ বাড়বে।

(আহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT