1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন প্রায় ৬৪ হাজার হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা আয়োজনে ফরিদপুরে প্রস্তুতি সভা আশুরার তাজিয়া মিছিলে অস্ত্র বহন ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করল ডিএমপি ৭ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে, দাবি গালিবফের আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আওয়ামী লীগ নেতা আটকের পর মুচলেকায় মুক্তি, বিএনপি নেতাদের দাবিতে আলোচনা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিল মালয়েশিয়া তদন্তের পর সাদুল্লাপুরে বিতর্কিত জমি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত

টাকার মান আরও কমল

বাংলার আকাশ ডট কম email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
  • ৩০৯ Time View

মার্কিন ডলারের বিপরীতে আবারও টাকার মান কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  সোমবার প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার ৮০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছিল। এরপর আরও ১০ পয়সা বাড়ানো হয়।

সূত্র জানায়, বাজারের ডলারের তীব্র সংকট থাকায় অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করতে এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারের সুবিধা দিতে ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের চার মাসে কয়েক দফায় ডলারের দাম বাড়ানো হয়েছে।

গত জানুয়ারির শুরুতে ডলারের বিনিময়মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর ২৩ মার্চ ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল।

গত ২৭ এপ্রিল বাড়ানো হয় ২৫ পয়সা। তাতে ১ ডলারের বিনিময়মূল্য দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সায়। ৯ মে ডলারের বিনিময়মূল্য ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। ডলারের দাম বাড়ায় আলোচ্য হারে টাকার মান কেমেছে।

এক বছর আগে অর্থাৎ গত বছরের মে মাসে প্রতি ডলার আন্তঃব্যাংকে বিক্রি হয়েছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা দরে। ওই সময়ে ডলারের দাম বাড়ল এক টাকা ৯০ পয়সা।

করোনার পর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ায় আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পণ্যের দামও বেড়েছে। সব মিলে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই ফেব্রুয়ারি সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৪৭ শতাংশ, এলসি খোলা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া করোনার কারণে স্থগিত এলসির দেনা এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে।

এর সঙ্গে রয়েছে চলমান বৈদেশিক ঋণের কিস্তির পাশাপাশি করোনার সময়কার স্থগিত কিস্তি। সব মিলে বাজারে ডলারের চাহিদা বেশি। এদিকে আমদানির তুলনায় রপ্তানি না বাড়ায় এবং রেমিট্যান্স কমায় বাজারে ডলারের জোগান কমেছে। এসব কারণে এর দাম বাড়ছে।

এদিকে ডলারের দাম বাড়ার ফলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে মুদ্রা বিনিময় হারজনিত সুবিধা পাবে। টাকার অবমূল্যায়নের ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ বাড়বে।

(আহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT