1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৮ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, প্রকাশ হলো সময়সূচি কুমিল্লায় ৯২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি-কাপড়সহ দুটি গাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি তিন জেলায় ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’ পদে কর্মী নিচ্ছে যমুনা ব্যাংক দুই দিনেই টেস্টে কুপোকাত, বাকি তিন দিন ‘ঘুমিয়ে পার করবেন’ শান্ত ফরিদপুরে মাদকের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল: ডা. শফিকুর রহমান খাদ্য কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর ২০২৭ সালের ৩০ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন কাজী নজরুলের রাগভিত্তিক গান নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’

তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে বড় ধস, ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ১০৮ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে তিস্তা সেতু ও রংপুর-কাকিনা আঞ্চলিক সড়ক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যার পর তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেতুর উত্তর-পশ্চিম অংশের রক্ষা বাঁধে ধস শুরু হয়। রাত পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের স্থানে প্রায় ৬০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সেতু রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে এবং রংপুর-কাকিনা সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হতে পারে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরও ওই বাঁধের একটি বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়েছিল। তখন এলজিইডির পক্ষ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পাইলিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবার পানির প্রবল স্রোতে সেই পাইলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী বলেন, গতবার ভাঙনের পর বাঁধটি স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য ব্লক ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তা করা হয়নি। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, না হলে সেতু ও সড়ক বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, গত বছর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পাইলিং করা হয়েছিল। নতুন করে ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT