বাংলার আকাশ ডেস্ক :
সোমবার (১৫ জুন) ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এ তথ্য জানায়। হামলায় কিয়েভের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান কিয়েভ পেচেরস্ক লাভরা আশ্রমে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটে।
হামলার সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানানো হয়েছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পৃথকভাবে ফোনালাপ করেন বলে দাবি করা হয়। এরপরই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার ইয়ারোস্লাভ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, তুলা অঞ্চলের একটি রাসায়নিক কারখানায়ও আঘাত হানা হয়েছে, যা রাশিয়ার বিস্ফোরক উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে আংশিকভাবে এসব হামলার কথা স্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কিছু শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে, যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।