বাংলার আকাশ ডেস্ক :
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জেলায় দুই শতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, বর্তমানে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের বেশির ভাগই শহরের ওই ঝুঁকিপূর্ণ ৭টি এলাকার বাসিন্দা। এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতিকে সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে যায় এবং নর্দমা পরিষ্কার না থাকায় মশার বংশবিস্তার বাড়ছে। পৌরসভার কার্যকর মশক নিধন কর্মসূচি না থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
একজন বাসিন্দা জানান, শহরের বিভিন্ন খাল ও ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের সমস্যা তৈরি হয়েছে, যা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
তবে ঝালকাঠি জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে পৌরসভাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি পৌরসভার মোট জনসংখ্যার বড় অংশই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বসবাস করে, যা ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।