1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে নতুন কর্মপরিকল্পনা, ২০৩০ সালের মধ্যে বড় লক্ষ্যমাত্রা আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শেষে ব্যবস্থা, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের কাঁচামাল ও নিকোটিন আমদানিতে ৩০০ শতাংশ শুল্কের উদ্যোগ মধুখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ১ নববধূ সুমাইয়া আক্তার স্বপ্নার মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন বাজেটে আসতে পারে নতুন করনীতি, ১৫০ সিসির বেশি মোটরসাইকেল কিনতে লাগতে পারে টিআইএন গন্ধর্বপুর প্রকল্প চালু হলে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত হবে: মির্জা ফখরুল ছয় জটিল রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় সাড়ে ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন জনবল সংকটে ঝালকাঠি প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, অচল আধুনিক ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল

গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে নতুন কর্মপরিকল্পনা, ২০৩০ সালের মধ্যে বড় লক্ষ্যমাত্রা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ২৯ Time View

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন অর্থবছরে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপ সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ৩৮টি কূপ খনন এবং ৮টি কূপ পুনঃসংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে ১২৯টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

বর্তমানে দেশে প্রতিদিন ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে আসে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন প্রতি বছরই কমছে। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান কূপগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে একাধিক অনুসন্ধান ও খনন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতীতে গৃহীত অনেক পরিকল্পনা সময়মতো বাস্তবায়িত না হওয়ায় প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, কার্যকর তদারকি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে বিদ্যমান রিগের পাশাপাশি নতুন রিগ সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, পরিকল্পনাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে এবং আমদানি নির্ভরতা কিছুটা কমবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT