1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে রোটারি ক্লাবের ৪০তম অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ফরিদপুরে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক গুরুতর আহত ইরান আলোচনায় না ফিরলেও আমার কিছু যায় আসে না: ট্রাম্প ৬ মাসের কম বয়সি শিশুতেও হাম, উদ্বেগে চিকিৎসকরা বরিশালে বৈশাখ বরণে ব্যস্ততা, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে ১৮ মাসে সুন্দরবনে ৮১ অস্ত্র উদ্ধার, ৬১ দস্যু গ্রেফতার ডিজেল সংকটে লাইটার জাহাজ চলাচল ব্যাহত, চট্টগ্রাম বন্দরে মাদার ভেসেলের জট ফরিদপুরে একদিনে ২৩ নতুন হাম সন্দেহভাজন রোগী, মৃত্যু নেই পিংক শপিং সেন্টারে কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের দাবি পরিবারের। পাবনা সদরে র‍্যাব ১০ (ফরিদপুর ক্যাম্প) এর অভিযানে অস্ত্র-কার্তুজসহ ৪ জন গ্রেফতার

৭৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৯ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্কঃ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজার শাখার অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন ব্যাংকের ক্যাশ কর্মকর্তা দীপঙ্কর ঘোষ (৩৭)।গত ২৯ জুলাই টাকা নেওয়ার পর থেকে ওই কর্মকর্তা আর ব্যাংকে আসেনি।

অভিযুক্ত কর্মকর্তার বাসা ছেংগারচর বাজারে। তার বাসা তালাবদ্ধ ও মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা করেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. ইউসুফ মিয়া। অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে চার সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। বর্তমানে থানা ও ব্যাংকের উদ্যোগে ঘটনাটির তদন্ত চলছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ইউসুফ মিয়া ও মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সানোয়ার হোসেন।

অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা দীপঙ্কর ঘোষের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলায়। তিনি ২০১৯ সালে অগ্রণী ব্যাংকের মতলব উত্তর থানার ছেংগারচর বাজার শাখায় যোগদান করেন। তিনি উপজেলার ছেংগারচর এলাকায় ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের পাশে একটি ভাড়া বাসায় একা থাকতেন।

ব্যাংকের কার্যালয় ও একাধিক গ্রাহক সূত্রে জানা যায়, শেষ ২৮ জুলাই সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্মস্থলে ছিলেন দীপঙ্কর ঘোষ। ওই দিন সন্ধ্যায় ব্যাংকের ভল্টে ১ কোটি ২ লাখ টাকা জমা রাখেন ব্যাংকটির শাখা কর্তৃপক্ষ। ভল্টের চাবি ছিল ক্যাশ কর্মকর্তা দীপঙ্করের কাছে। তিনি সেখান থেকে গোপনে ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাসায় চলে যান। পরে বাসায় তালা দিয়ে ওই দিন রাতেই কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যান। ভাড়া বাসার মালিক বা আশপাশের কাউকেই কিছু বলেননি। পরদিন ২৯ জুলাই ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ও অন্যা কর্মকর্তারা এসে দেখেন, ব্যাংকের ভল্ট খোলা এবং সেখানে ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা নেই। এর পর থেকে দীপঙ্করের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

সূত্র জানায়, ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে কর্তৃপক্ষের টনকনড়ে। ২৯ জুলাই ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ইউসুফ মিয়া বিষয়টি অগ্রণী ব্যাংকের চাঁদপুর অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) তপন চন্দ্র সরকারকে জানান। এরপর ২ আগস্ট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবস্থাপক থানায় মামলা করেন।

ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে চার সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। সেখানকার একজন জ্যেষ্ঠ প্রধান কর্মকর্তার (এসপিও) নেতৃত্বে ২ আগস্ট থেকে তদন্ত ও নিরীক্ষা (অডিট) চলছে। প্রাথমিক তদন্তে ওই ক্যাশ কর্মকর্তা ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযোগের ব্যাপারে ওই কর্মকর্তার মোবাইল নম্বররে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়।
মতলব উত্তর থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) সানোয়ার হোসেন বলেন, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় করা মামলার তদন্ত চলছে। আসামিকে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT