বাংলার আকাশ ডেস্ক :
বাংলাদেশে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস-এর ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, অনিয়মিত ঘুম, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও অলস জীবনযাপনই এর প্রধান কারণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাচ্ছে। ফলে শরীরের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে গিয়ে ধীরে ধীরে প্রি-ডায়াবেটিস এবং পরে পূর্ণাঙ্গ ডায়াবেটিসে রূপ নেয়।
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল-এর ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু নাছির মোহিত বলেন,
“তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার অভাব, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় গ্রহণ এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকা ডায়াবেটিস বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।”
চিকিৎসকদের মতে, রাত জেগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রি-ডায়াবেটিস এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তে শর্করা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, কিন্তু পুরোপুরি ডায়াবেটিস নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি উপসর্গ ছাড়াই দীর্ঘদিন শরীরে থেকে যায়।
আন্তর্জাতিক মান (আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী):
ডা. শংকর বড়ুয়া (কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ) বলেন,
“ডায়াবেটিস মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের সব অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর।”
তিনি সতর্ক করে জানান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে—
চিকিৎসকদের মতে, ইনসুলিন কোনো ক্ষতিকর বা আসক্তিকর ওষুধ নয়। বরং এটি শরীরের স্বাভাবিক হরমোনের কৃত্রিম রূপ, যা অনেক ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিরাপদ চিকিৎসা।
রক্তে শর্করা ৭০ mg/dL এর নিচে নামলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, যা জরুরি অবস্থা।
লক্ষণ:
চিকিৎসকদের পরামর্শ—