1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে ফরিদপুর মেডিকেলের নতুন অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিলের দাবি ছাত্রদলের সাদিয়া আয়মানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন খায়রুল বাসার ঢাবিতে সমকামিতার অভিযোগে দুই ছাত্র হল থেকে স্থায়ী বহিষ্কৃত: আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ! ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: লোহিত সাগর ও ওমান সাগরে পৃথক হামলা, শান্তির সম্ভাবনা অনিশ্চিত! সাকিব ‘নষ্ট মানুষ’, তবে দেশে ফিরলে পাবেন পূর্ণ নিরাপত্তা: তথ্য উপদেষ্টা শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী! দেশি মাছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: অন্ত্র ছাড়িয়ে মাংসপেশিতেও উপস্থিতি, চিন্তিত গবেষকরা: জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল ২১ শতাংশের বেশি, বাড়তে পারে উড়োজাহাজের টিকিটের দাম ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর সঞ্চালনায় অজয় দেবগন, ৩১ আগস্ট থেকে নতুন সিজন

তদন্তের পর সাদুল্লাপুরে বিতর্কিত জমি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১১৫ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার একটি জমির মালিকানা ও ক্ষতিপূরণ বিতরণ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসন জমিটি সরকারি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ এবং প্রশাসনিক তদন্ত শুরুর পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার হাসানপাড়া মৌজার সাবেক ৭৬ ও বর্তমান ১১২ নম্বর দাগভুক্ত প্রায় সাড়ে ছয় শতক জমিতে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে একই দাগভুক্ত জমির একটি অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে দেখিয়ে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা হয় এবং ক্ষতিপূরণও প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে একই দাগের জমির আরেক অংশ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অধিগ্রহণের সময় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হলে বর্তমান বিতর্কের সৃষ্টি হতো না। এছাড়া চিহ্নিত জমিতে এখনো বিভিন্ন স্থাপনা থাকলেও সেগুলোর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন বলেন, পূর্ববর্তী সময়ের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সে সময় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারাই বিস্তারিত বলতে পারবেন। সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আল মামুন জানান, সংশ্লিষ্ট জমি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্রে জমিটির মালিকানা বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। এক প্রতিবেদনে সরকারি স্বার্থ নেই বলে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী প্রতিবেদনে জমিটিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া জমির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণে পরিমাপের সুপারিশও ছিল বলে জানা গেছে।

এদিকে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধপূর্ণ দাবির পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তদন্তের পরদিনই জমিতে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করায় ঘটনাটি নতুন করে জনমনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT