1. admin@banglarakash.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাপ্তাই হ্রদের পানি সংকটে ৩ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৯২ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রাঙামাটি প্রতিনিধি: অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাত্র দুটি ইউনিট চালু রয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পানির স্বল্পতার কারণে বাধ্য হয়ে তিনটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটিতে ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

২৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকলে প্রায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই হ্রদের স্বাভাবিক পানির স্তর থাকার কথা ৮৫ দশমিক ৮০ এমএসএল (মিন সি লেভেল)। কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৮১ দশমিক ০২ এমএসএল-এ। পানির স্তর কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ভারী বৃষ্টিপাত হলে হ্রদের পানির স্তর আবার বাড়বে এবং উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

উল্লেখ্য, বিপজ্জনক সীমা ধরা হয় ৬৮ এমএসএল। পানির স্তর এই পর্যায়ে নেমে গেলে পুরো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

এদিকে পানি কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদের ওপর নির্ভরশীল পাঁচ উপজেলা—বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ির নৌপথ যোগাযোগও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT