1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৯০ বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গুরুত্ব ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে বিক্ষুব্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী, প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষার ইঙ্গিত পাঁচ দফা দাবিতে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বুধবার নতুন কর্মসূচির ঘোষণা শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান বিতর্কচর্চা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে, কার্যকর সংসদের গুরুত্ব তুলে ধরলেন কিরণ বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ, ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান নাসিব কেন্দ্রীয় নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার, অব্যাহত রাখবেন ক্লাব ক্যারিয়ার

কাপ্তাই হ্রদের পানি সংকটে ৩ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৫ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রাঙামাটি প্রতিনিধি: অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাত্র দুটি ইউনিট চালু রয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পানির স্বল্পতার কারণে বাধ্য হয়ে তিনটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটিতে ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

২৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকলে প্রায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই হ্রদের স্বাভাবিক পানির স্তর থাকার কথা ৮৫ দশমিক ৮০ এমএসএল (মিন সি লেভেল)। কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৮১ দশমিক ০২ এমএসএল-এ। পানির স্তর কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ভারী বৃষ্টিপাত হলে হ্রদের পানির স্তর আবার বাড়বে এবং উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

উল্লেখ্য, বিপজ্জনক সীমা ধরা হয় ৬৮ এমএসএল। পানির স্তর এই পর্যায়ে নেমে গেলে পুরো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

এদিকে পানি কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদের ওপর নির্ভরশীল পাঁচ উপজেলা—বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ির নৌপথ যোগাযোগও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT