একদফা দাবিতে সারাদেশে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে অসহায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এই অবস্থায় ফের মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে একটি সরকারি সংস্থা। এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে সামাজিক
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে চায় আওয়ামী লীগ। তবে বিশৃঙ্খলা করলে রাজনৈতিকভাবে শক্ত হাতে দমন করা হবে। সন্ত্রাসীদের দমনে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন
রাজধানী ঢাকাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি চলছে। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ফেনীতে ৭ জন, মুন্সীগঞ্জে ২, বগুড়ায়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের গণজোয়ার ঘটেছে। সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণমিছিলে প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র-জনতা অংশ নিয়েছে। রোববার
দেশে চলমান আন্দোলনের মধ্যে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফের কারফিউ জারি করেছে সরকার। রোববার (৪ আগস্ট) এ ঘোষণা দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। আজ (রোববার) থেকে শুরু হয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র
আন্দোলনকারীদের ওপর তাজা গুলি ব্যবহার না করার নির্দেশনা চাওয়ার রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের দ্বৈত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলন চলছে। এ সময় রাজধানীর সিএমএম আদালতের সামনে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল রাজধানীর এলাকাগুলো। রোববার (৪
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ছাত্র-জনতা নিহতের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে একদফা দাবি আদায়ে শনিবার সারা দেশে ব্যাপক ‘গণবিক্ষোভ’ দেখেছে বাংলাদেশ। রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর আবারও রাজপথে নেমে এসেছেন আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে আবার সরব হয়েছেন ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ন্যায়বিচারের বার্তা দিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টে মাহমুদউল্লাহ লিখেছেন, ‘আমরা
দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। পালটাপালটি আক্রমণের হুমকি দিয়ে আসছে ইরান-ইসরাইল। বৈরি এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করবে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরান ও তার মিত্রদের