1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরের সদরপুরে ‘ভিউ বাণিজ্য’: মানহীন কনটেন্টে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা, প্রয়োজন দায়বদ্ধতা শেষ হলো এক মহাকাব্যের: আলবিসেলেস্তে জার্সিতে মেসির বিদায় ও অনন্য রেকর্ড আজানের পর গুনাহ মাফের বিশেষ দোয়া: হাদিসের আলোকে আমল নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২, নিখোঁজ চার হাজারের বেশি ‘লেক অন্টারিও’-র নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের ১০ টাকার নিচেই থাকবে রূপপুরের বিদ্যুতের দাম, নভেম্বরেই বাণিজ্যিক উৎপাদন নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো: বেতন বাড়ছে ধাপে ধাপে, যুক্ত হলো নতুন ভাতা সীমিত সামর্থ্যে এসএসসিতে জিপিএ-৫: স্বপ্ন থাকলেও খরচের চিন্তায় অদম্য রেখা গুগল সার্চে নিজের পরিচয় তুলে ধরতে ‘পিপল কার্ড’ তৈরির উপায় ইস্তাম্বুলে মক্কা চুক্তির কৌশল ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠক আজ

বন্যায় ধ্বংস নেপাল-চীনের প্রধান বাণিজ্যপথ ‘রাসুয়া কেরুং’, স্তব্ধ দ্বিপক্ষীয় পণ্য পরিবহন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৪ Time View
বন্যায় নেপাল-চীন মৈত্রী সেতু ধ্বংস ও রাসুয়া কেরুং বাণিজ্যপথ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দৃশ্য
ভয়াবহ বন্যায় ধ্বংস হয়ে গেছে নেপাল ও চীনের প্রধান বাণিজ্যপথ ‘রাসুয়া কেরুং’। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

ভয়াবহ বন্যায় চীনের সঙ্গে নেপালের অন্যতম প্রধান ‘অল ওয়েদার’ বাণিজ্যপথ ‘রাসুয়া কেরুং’ মারাত্মকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। ভোতেকোশি করিডরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘চীন-নেপাল মৈত্রী সেতু’ ভেঙে পড়ায় সীমান্ত দিয়ে দ্বিপক্ষীয় পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

কাঠমান্ডু পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালে সাম্প্রতিক বন্যায় এ পর্যন্ত ৭৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে রাসুয়াগাধি সীমান্ত এলাকার সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থা ও সীমান্ত বাণিজ্য স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে চালুর পর থেকে এই পথটি নেপালের অর্থনৈতিক সরবরাহের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাধারণত চীন থেকে তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, গাড়ি ও বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি এই পথেই রাজধানী কাঠমান্ডুতে পৌঁছাত। ব্যস্ত সময়ে এ সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০টি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করত। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে নেপালের সর্ববৃহৎ দুটি উৎসব ‘দশাইন’ ও ‘তিহার’কে সামনে রেখে বাণিজ্য তুঙ্গে থাকে। ফলে উৎসবের ঠিক মুখে এই ধ্বংসযজ্ঞ নেপালি ব্যবসায়ীদের চরম অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নেপাল সরকার বিকল্প হিসেবে ‘তাতোপানি’ ও ‘কোরালা’ সীমান্তপথ ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করছে। তবে সেখানেও রয়েছে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ:

  • তাতোপানি রুট: এই পথটিও মারাত্মক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাছাড়া কেরুংয়ের বদলে তাতোপানি ব্যবহার করলে পণ্য পরিবহন যানবাহনকে অতিরিক্ত প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে।
  • কোরালা রুট: সীমান্তটিতে পণ্য খালাসের পর্যাপ্ত শুল্ক অবকাঠামো নেই এবং পথটি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী নয়। উপরন্তু, শীত মৌসুমে তীব্র তুষারপাতের কারণে এই পথ সচল রাখা প্রায় অসম্ভব।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে নেপাল চীন থেকে ৪২৫ দশমিক ২৪ বিলিয়ন রুপির পণ্য আমদানি করলেও বিপরীতে রপ্তানি করেছে মাত্র ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন রুপির পণ্য। বিশাল এই বাণিজ্যিক ঘাটতির মধ্যে প্রধান রুটটি ধ্বংস হওয়ায় নেপালের সামগ্রিক সরবরাহব্যবস্থায় ভয়াবহ সংকট তৈরির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT