বাংলার আকাশ ডেস্ক :
উদ্বোধনী দিনে সকাল সাড়ে নয়টায় র্যালির মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য টেকনিক্যাল সেশন, বিসিএস ও ব্যাংক চাকরির প্রস্তুতি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি ‘প্রেজেন্টএক্স’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ২৩টি দলের ৬৩ জন প্রতিযোগী অংশ নেন।
আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনা দেওয়াই এই ফেস্টের মূল উদ্দেশ্য।
ফেস্টের দ্বিতীয় দিনে থাকবে চাকরি মেলা, যেখানে দেশের শীর্ষ ১২টি কোম্পানি অংশ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে বসবে এসব প্রতিষ্ঠানের স্টল। শিক্ষার্থীরা সেখানে সরাসরি সিভি জমা দেওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।
একই দিনে উচ্চশিক্ষা ও কর্পোরেট ক্যারিয়ার নিয়ে পৃথক সেমিনারের আয়োজন করা হবে। সবশেষে পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে দুই দিনের এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।
চুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি দিব্য জ্যোতি ঘোষ বলেন, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রি ও কর্পোরেট জগতের সঙ্গে যুক্ত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে।
ক্লাবের চিফ মডারেটর অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বণিক জানান, এই ফেস্ট শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের আয়োজনে প্রায় ১৭টি কোম্পানি অংশ নিচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, আনুষ্ঠানিক সূচনার আগে ১১ জুন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে চুয়েটে একটি টেকনিক্যাল সেশন ও নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করে।