বাংলার আকাশ ডেস্ক :
ইরানে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এবং দেশের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (IRGC)-এর মধ্যে ক্ষমতার টানাপোড়েন বাড়ছে বলে একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন গোয়েন্দা মন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে প্রেসিডেন্টের একটি উদ্যোগ সামরিক নেতৃত্বের চাপের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে করে প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব সীমিত হয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, নিরাপত্তা ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সামরিক নেতৃত্বের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে।
অন্যদিকে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদনের ভিত্তিতে মন্ত্রী নিয়োগ দেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান ও তার সরাসরি সম্পৃক্ততা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি প্রভাবশালী সামরিক পরিষদ সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর ফলে বেসামরিক প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কিছু ক্ষেত্রে সীমিত হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ক্ষমতার বিভিন্ন কেন্দ্রের মধ্যে এই টানাপোড়েন দীর্ঘস্থায়ী হলে শাসন ব্যবস্থায় জটিলতা বাড়তে পারে বলেও তারা মনে করছেন।
সূত্র: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রতিবেদন।