বাংলার আকাশ ডেস্ক :
ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলার মনপুরা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচরের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেম একই এলাকার বাসিন্দা।
রিপনের অভিযোগ, অটোরিকশা কেনার জন্য গত বছর আবুল কাশেমের কাছ থেকে সুদে এক লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন তিনি। পরে মূল টাকা পরিশোধ করলেও তার কাছে আরও এক লাখ টাকা সুদের টাকা দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী জানান, কয়েক দিন আগে আল আমিন বাজার এলাকা থেকে কেদা কাশেমের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। পরে চোখ বেঁধে তাকে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের কমান্ডার বাজার এলাকার একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে দুই দিন তাকে অল্প খাবার দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রিপনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা তার অটোরিকশা বিক্রি করে অভিযুক্তদের ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপরও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। পরে তাকে সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকায় নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে পায়ে শিকল বেঁধে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে আরও দুই যুবক অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। পরে প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেবাশীষ সরকার জানান, ভুক্তভোগীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।