1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুলের জন্মজয়ন্তীতে সরকারি ছুটির দাবি, পরিবারের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা, বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল ঈদের ছুটিতে ভোমরা স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন আমদানি–রফতানি বন্ধ জুলাই অভ্যুত্থানের মামলা: ৪০ গুলির দাবি, তদন্তে কোনো প্রমাণ মেলেনি টাঙ্গাইলে ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর মান্দার বাসিন্দা গাইবান্ধায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা নতুন পে-স্কেল: বেসিকের ৫০% ও সম্ভাব্য ১০০% বৃদ্ধিতে কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়তে পারে ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, বিশ্বকাপ নিয়ে দুশ্চিন্তা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী আজ ঈদের ছুটির মধ্যেও আজ ও কাল নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম

ঘনঘন ভূকম্পনে উদ্বেগ, বড় ঝাঁকুনির আশঙ্কায় প্রস্তুতির তাগিদ!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৭ Time View

বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ইতিহাস খুব বেশি পুরোনো নয়। ১৯৩০ সালে এ অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছিল। তার আগে মাত্র ৬৫ বছরের মধ্যে ছয়বার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ভূখণ্ড। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে প্লেটগুলোতে শক্তি জমে থাকলে তা হঠাৎ করেই তীব্র ভূকম্পনের মাধ্যমে মুক্তি পেতে পারে। তাই ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই অবকাঠামোকে ভূমিকম্প সহনশীল করার বিকল্প নেই।

গত বছরের ২১ নভেম্বর নরসিংদী এলাকায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, যা ইন্দো-বার্মা টেকটনিক প্লেট সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উৎপত্তি লাভ করে। এতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। এর অল্প সময়ের মধ্যেই শুক্রবার জুমার নামাজের পর ৫ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন এলাকা।

চলতি মাসে ইতোমধ্যে ১০ দফা ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে—গড়ে প্রায় প্রতি দুই দিনে একটি করে। এ ধরনের ঘনঘন কম্পন বড় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস কিনা, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, প্লেট বাউন্ডারিতে শক্তি জমতে জমতে যখন নির্গমনের সুযোগ পায় না, তখন বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি হয়। ছোট ছোট কম্পন সেই জমে থাকা শক্তির ইঙ্গিত হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ভবনগুলোর কাঠামোগত মূল্যায়ন এবং প্রকৌশলীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মত দেন। পাশাপাশি ভবন মালিকদের সচেতন করাও প্রয়োজন।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৮৯৭ সালের ১২ জুনের Great Indian Earthquake ছিল ৮ মাত্রারও বেশি শক্তিশালী, যা পুরো অঞ্চলকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী বড় প্লেট বাউন্ডারি ও অভ্যন্তরীণ ফল্ট লাইনে ১০০ থেকে ১৫০ বছর পরপর ৭-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। ৮-এর অধিক মাত্রার কম্পন ২৫০ থেকে হাজার বছর পরপর ফিরে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

অন্যদিকে পরিসংখ্যান বলছে, শুধু ঢাকায় প্রায় ২১ লাখ বাসাবাড়ি রয়েছে, যার ৩০ শতাংশ ছয় তলার বেশি। ধারণা করা হয়, এসব ভবনের বড় অংশই ভূমিকম্প সহনীয় মানদণ্ডে নির্মিত নয়। সারাদেশেও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামোর সংখ্যা কম নয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী আহমেদ আনসারীর মতে, সাম্প্রতিক ছোট ভূকম্পনগুলো নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অতীতের বড় ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এখনই কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT