বাংলার আকাশ ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও এ প্রক্রিয়ায় ইসরাইলের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে চুক্তি বাস্তবায়ন জটিল হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হবে না।
এএফপিকে এক জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক ফোনালাপে ট্রাম্প এ অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। তেহরানের দাবি, এ বিষয়টি পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনায় আসবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই ইরানবিরোধী কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা ব্যাহত করতে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগতভাবে ভূমিকা রাখতে পারে।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, নেতানিয়াহু লেবানন পরিস্থিতিসহ আঞ্চলিক সংঘাতের বিষয়গুলো এই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ইরানি সূত্র বলছে, প্রথমে একটি কাঠামোগত সমঝোতা এবং পরে ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইসরাইল আশঙ্কা করছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরান শর্ত থেকে সরে যেতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ সহজ পথে এগোবে না।