বাংলার আকাশ ডেস্ক :
কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ জানারঘোনা এলাকায় ডোবা থেকে বেডশিটে মোড়ানো এক নারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শাহেদা আক্তার মুন্নী (প্রায় ৩০)। এ ঘটনায় তার স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেক পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে স্থানীয়রা একটি ময়লা-আবর্জনার ডোবা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেডশিটে মোড়ানো অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির মাথা ও হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন ছিল।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে মুন্নীর সঙ্গে তারেকের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা চট্টগ্রামে বসবাস করলেও কয়েক মাস আগে কক্সবাজারে এসে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। কয়েক মাস আগে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করে, পারিবারিক বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম তারেক তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন। নিহতের ছোট ভাই জানান, হত্যার আগে তার বোনকে মারধর করা হয়েছিল এবং এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও নিহতের বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করতে পারেননি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক মো. ছমিউদ্দিন জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং ঘটনাটি রহস্যজনক। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেক পলাতক রয়েছেন। নিহত দম্পতির চার বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।