1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেক্সটাইলে দক্ষ প্রকৌশলী গড়ে তুলে বিদেশি নির্ভরতা কমানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি ও অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: মিজানুর রহমান আজহারী নারায়ণগঞ্জে বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার: হত্যা অভিযোগ স্বজনদের, স্বামী আটক ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে বিতর্ক: প্রতীক বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এনসিটিবির খুলনায় বকেয়া ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্ব: বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটের মৃত্যু জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন

দিনাজপুরে শসার কেজি ১ টাকা

বাংলার আকাশ ডট কম email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০২২
  • ৫৫৯ Time View

প্রতি রমজানেই বাজারে শসার চাহিদা স্বাভাবিক দরের চেয়ে আকাশচুম্বী থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু শসা উৎপাদন করে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন দিনাজপুরের শসাচাষিরা। ফলে লোকসানে পড়েছেন তারা।

কয়েক দিন আগে ভালো দাম পেলেও বর্তমানে দাম কমে যাওয়ার কারণে পাইকাররা বীরগঞ্জর উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে এক থেকে দেড় টাকায় কিনছেন প্রতি কেজি শসা।

শসাচাষিদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১৫ দিন আগে বাজারে শসার দাম ভালো থাকলেও গত সপ্তাহ থেকে দাম কমতে শুরু করে। রমজানের শুরুতে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করলেও কয়েক দিন ধরে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসার দাম এক থেকে দেড় টাকা। অথচ খুচরা বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে। এতে লাভের আশায় শসা চাষ করে লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।
উপজেলার ঝড়বাড়ি গ্রামের কৃষক সাকিল ইসলাম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সবজির দাম চড়া থাকায় বড় আশা করে শসা চাষ করেছিলাম, এক টাকা কেজি দরে শসা বিক্রি করতে দেখে চোখে পানি ঝরছে। এক বিঘা জমিতে শসা চাষ করতে খরচ হয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। আশা ছিল শসার ফলন ভালো হয়েছে, ভালো লাভ হবে, কারণ রমজান মাসে শসার চাহিদা ভালো থাকে। কিন্তু এখন লাভ তো দূরে থাক, উল্টো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। এরই মধ্যে ৩০ হাজার টাকা লস হয়েছে আমার।

শসাচাষি শাকিল আহমেদ বলেন, কষ্টে উৎপাদিত ৫০ কেজির শসার একটি বস্তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করতে কষ্টে আমাদের বুক ফেটে যাচ্ছে। শসার ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারে দাম না থাকায় খরচের টাকাও তুলতে পারছি না। শসা ছিঁড়তে যে খরচ, সে টাকাই উঠছে না, মূল দাম তো পরে।
পাইকারি ব্যবসায়ি আরিফুল হক বলেন, বাজারে শসার ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা না থাকায় শসার দাম নেই বললেই চলে। আজ দুই টাকা কেজি দরে শসা কিনেছি।

বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, এ বছর বীরগঞ্জ উপজেলায় ২৪৫ হেক্টর জমিতে শসা চাষ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০ শতাংশ জমির ফসল তোলা হয়েছে। চাহিদার বিপরীতে বাজারে শসার সরবরাহ কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় বাজারের শসার দাম কমে গেছে। কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

(আহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT