বাংলার আকাশ ডেস্ক :
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এখন বড় বিতর্কে পরিণত হয়েছে
ক্ষমতা হারানোর পর ২০২৪ সালের আগস্টে ভারতে আসেন শেখ হাসিনা এবং এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছেন—এমন তথ্য ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিষয়টি সামনে এনে প্রশ্ন তুলেছে All India Trinamool Congress (তৃণমূল কংগ্রেস)।
দলের শীর্ষ নেতা অভিশেক ব্যানার্জি এক নির্বাচনী সভায় বলেন, শেখ হাসিনার অবস্থান পরিষ্কার করা দরকার। তিনি শরণার্থী হিসেবে রয়েছেন, নাকি অনুপ্রবেশকারী—এ বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের স্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে এ বিষয়ে সরাসরি জবাব না দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেই আক্রমণ করেন। এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেয় এবং এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও জানান।
একই সুর শোনা গেছে বিজেপির আরেক শীর্ষ নেতা অমিত সাহার বক্তব্যেও। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অনুপ্রবেশ ইস্যুর পাশাপাশি ভোটার তালিকা, উন্নয়ন, দুর্নীতি ও বেকারত্ব—এসব বিষয়ও নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দুই দফায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনের প্রথম ধাপে ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল। ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৪ মে।